ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জের ৪ নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে আলোচনায় মো. আরিফুর রহমান 

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৭:২৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • 37
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৪ নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মো. আরিফুর রহমানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী। ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, সার্বিক উন্নয়ন ও জনসেবাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে তাকে নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এলাকার মানুষের প্রত্যাশা, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্বের মাধ্যমে ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আরিফুর রহমান বলেন, “আমি ৪ নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। জনগণ আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দিলে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করার চেষ্টা করব। আমার কাছে কোনো দল বা গোষ্ঠীর পরিচয়ের চেয়ে মানুষের পরিচয়ই বড়। ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের মতামত ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি সুন্দর,উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই।”
তিনি আরো বলেন, “ইউনিয়নের উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণ নয়; মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন,শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণদের জন্য সম্ভাবনা তৈরি করাও উন্নয়নের অংশ। আমি সুযোগ পেলে ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নিতে চাই। সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার ওপর গুরুত্ব দেব।”
মো. আরিফুর রহমান বলেন, “আমাদের ইউনিয়নে অনেক প্রবাসী পরিবার রয়েছে। তাদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে চাই। প্রবাসে থাকা মানুষ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের পরিবারের সদস্যরা যেন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সেবা পেতে কোনো ধরনের অবহেলার শিকার না হন,সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।”
সম্মানী ভাতার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে চেয়ারম্যানের বেতন-ভাতা বা সম্মানী থেকে প্রাপ্ত অর্থ জনগণের কল্যাণে বিলিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। আমি জনপ্রতিনিধিত্বকে ব্যক্তিগত লাভের মাধ্যম হিসেবে নয়,বরং মানুষের সেবা করার দায়িত্ব হিসেবে দেখতে চাই।”
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছের জনপ্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ,গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই একজন চেয়ারম্যানের সততা, দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও জনসেবার মানসিকতা স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মো. আরিফুর রহমান দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নত করা, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অবকাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। পাশাপাশি দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবার, বয়স্ক ব্যক্তি, বিধবা নারী এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
একটি ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসম্পৃক্ততা। সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় মানুষের মতামত গ্রহণ এবং নাগরিক সেবা সহজলভ্য করা গেলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ৪ নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, সমস্যা সমাধানে আন্তরিকতা এবং সবার জন্য সমানভাবে কাজ করার মানসিকতার মধ্য দিয়ে একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে উঠবে।
উল্লেখ্য,মো. আরিফুর রহমানের বক্তব্যে উঠে এসেছে—জনগণের সেবা, প্রবাসী পরিবারের জন্য বিশেষ সুবিধা,দল-মত নির্বিশেষে সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং সম্মানীর অর্থ জনকল্যাণে ব্যয় করার প্রত্যাশিত অঙ্গীকার।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মতলব দক্ষিণে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত 

হাজীগঞ্জের ৪ নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে আলোচনায় মো. আরিফুর রহমান 

আপডেট : ০৭:২৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৪ নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মো. আরিফুর রহমানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী। ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, সার্বিক উন্নয়ন ও জনসেবাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে তাকে নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এলাকার মানুষের প্রত্যাশা, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্বের মাধ্যমে ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আরিফুর রহমান বলেন, “আমি ৪ নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। জনগণ আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দিলে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করার চেষ্টা করব। আমার কাছে কোনো দল বা গোষ্ঠীর পরিচয়ের চেয়ে মানুষের পরিচয়ই বড়। ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের মতামত ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি সুন্দর,উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই।”
তিনি আরো বলেন, “ইউনিয়নের উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণ নয়; মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন,শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণদের জন্য সম্ভাবনা তৈরি করাও উন্নয়নের অংশ। আমি সুযোগ পেলে ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নিতে চাই। সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার ওপর গুরুত্ব দেব।”
মো. আরিফুর রহমান বলেন, “আমাদের ইউনিয়নে অনেক প্রবাসী পরিবার রয়েছে। তাদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে চাই। প্রবাসে থাকা মানুষ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের পরিবারের সদস্যরা যেন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সেবা পেতে কোনো ধরনের অবহেলার শিকার না হন,সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।”
সম্মানী ভাতার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে চেয়ারম্যানের বেতন-ভাতা বা সম্মানী থেকে প্রাপ্ত অর্থ জনগণের কল্যাণে বিলিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। আমি জনপ্রতিনিধিত্বকে ব্যক্তিগত লাভের মাধ্যম হিসেবে নয়,বরং মানুষের সেবা করার দায়িত্ব হিসেবে দেখতে চাই।”
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছের জনপ্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ,গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই একজন চেয়ারম্যানের সততা, দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও জনসেবার মানসিকতা স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মো. আরিফুর রহমান দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নত করা, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অবকাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। পাশাপাশি দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবার, বয়স্ক ব্যক্তি, বিধবা নারী এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
একটি ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসম্পৃক্ততা। সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় মানুষের মতামত গ্রহণ এবং নাগরিক সেবা সহজলভ্য করা গেলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ৪ নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, সমস্যা সমাধানে আন্তরিকতা এবং সবার জন্য সমানভাবে কাজ করার মানসিকতার মধ্য দিয়ে একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে উঠবে।
উল্লেখ্য,মো. আরিফুর রহমানের বক্তব্যে উঠে এসেছে—জনগণের সেবা, প্রবাসী পরিবারের জন্য বিশেষ সুবিধা,দল-মত নির্বিশেষে সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং সম্মানীর অর্থ জনকল্যাণে ব্যয় করার প্রত্যাশিত অঙ্গীকার।