ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেট থেকে বের করা হলো ১৫ টি কলম

আনলাইন ডেস্ক:
সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এন্ডোসকপি করে মোতালেব হোসেনের  নামে এক যুবকের পেট থেকে বের করা হয় ১৫ টি  কলমগ। তার পেটে আরও চার–পাঁচটি কলম রয়েছে বলে জানান চিকিৎসক।

মোতালেব হোসেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার খুকনী ইউনিয়নের আটারদাগ গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে। ব্যথা ও অসুস্থতা নিয়ে একের পর এক চিকিৎসক কাছে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু কোনো সমাধান মিলছিল না। শেষে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে বিষয়টি ধরা পড়ে এবং ওই যুবকের পেট থেকে ১৫টি কলম বের করা হয়।

মোতালেবের চাচাতো ভাই আব্দুর রহমান জানান, এর আগেও ২০০৬ সালেও মোতালেব হোসেনের পেটব্যথা হয়েছিল। সে সময় অস্ত্রোপচার করে তার পেট থেকে দুটি লোহার টুকরা বের করা হয়।

পেটব্যথার চিকিৎসা দিয়েও কোনো ফল না পেয়ে ডাক্তার তার পেটে এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম করে বুঝতে পারেন, তার পাকস্থলিতে কলমজাতীয় বস্তু রয়েছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার তিন ঘণ্টা ধরে তার গলা দিয়ে টিউব ঢুকিয়ে (এন্ডোসকপি করে) ১৫টি কলম বের করা হয়। তার পেটে এখনও চার-পাঁচটি কলম রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক

মোতালেব হোসেনের মা লাইলী বেগম বলেন, আমার ছেলে ভালো ছাত্র ছিল। এসএসসি পাসের পর সে গাঁজায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এরপর কখন কলমগুলো গিলেছে আমরা বলতে পারব না। দীর্ঘদিন সুস্থ স্বভাবিকভাবেই কাজ করেছে সে। একবছর হলো পেটব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়ে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

পেট থেকে বের করা হলো ১৫ টি কলম

আপডেট : ০৩:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩
আনলাইন ডেস্ক:
সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এন্ডোসকপি করে মোতালেব হোসেনের  নামে এক যুবকের পেট থেকে বের করা হয় ১৫ টি  কলমগ। তার পেটে আরও চার–পাঁচটি কলম রয়েছে বলে জানান চিকিৎসক।

মোতালেব হোসেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার খুকনী ইউনিয়নের আটারদাগ গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে। ব্যথা ও অসুস্থতা নিয়ে একের পর এক চিকিৎসক কাছে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু কোনো সমাধান মিলছিল না। শেষে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে বিষয়টি ধরা পড়ে এবং ওই যুবকের পেট থেকে ১৫টি কলম বের করা হয়।

মোতালেবের চাচাতো ভাই আব্দুর রহমান জানান, এর আগেও ২০০৬ সালেও মোতালেব হোসেনের পেটব্যথা হয়েছিল। সে সময় অস্ত্রোপচার করে তার পেট থেকে দুটি লোহার টুকরা বের করা হয়।

পেটব্যথার চিকিৎসা দিয়েও কোনো ফল না পেয়ে ডাক্তার তার পেটে এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম করে বুঝতে পারেন, তার পাকস্থলিতে কলমজাতীয় বস্তু রয়েছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার তিন ঘণ্টা ধরে তার গলা দিয়ে টিউব ঢুকিয়ে (এন্ডোসকপি করে) ১৫টি কলম বের করা হয়। তার পেটে এখনও চার-পাঁচটি কলম রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক

মোতালেব হোসেনের মা লাইলী বেগম বলেন, আমার ছেলে ভালো ছাত্র ছিল। এসএসসি পাসের পর সে গাঁজায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এরপর কখন কলমগুলো গিলেছে আমরা বলতে পারব না। দীর্ঘদিন সুস্থ স্বভাবিকভাবেই কাজ করেছে সে। একবছর হলো পেটব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়ে।