ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে আবারও জয়ী হাজীগঞ্জের কৃতী সন্তান মাসুদুর রহমান

 

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের বেলচোঁ গ্রামের কৃতী সন্তান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মাসুদুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আবারও বিজয়ী হয়েছেন।

 

ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে তিনি কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটের ৪ নম্বর আসন থেকে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এই জয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে জন্মভূমি হাজীগঞ্জের মানুষের মাঝেও বইছে আনন্দের হাওয়া।

 

৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মাসুদুর রহমান তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী জেন জেনিংসকে পরাজিত করেন। নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, তিনি মোট ভোটের প্রায় ৬৬ শতাংশ এবং জেন জেনিংস প্রায় ৩৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) বুধবার ভোরে তাঁর বিজয় নিশ্চিত করে। তবে নির্বাচনের ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যয়ন করা বাকি।

 

মাসুদুর রহমানের জন্ম ও শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত এলাকা চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের বেলচোঁ গ্রাম। তিনি স্থানীয় বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বাংলাদেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামের শিক্ষার্থী থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের আইনপ্রণেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অর্জন।

 

প্রবাসে বসবাস করেও তিনি নিজের শিকড় ও জন্মভূমির পরিচয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে তাঁকে নিয়ে গর্ববোধ করেন এলাকাবাসী। তাঁর রাজনৈতিক সাফল্য হাজীগঞ্জ তথা চাঁদপুরের মানুষের কাছে বিশেষভাবে আনন্দের বিষয় হয়ে উঠেছে।

 

মাসুদুর রহমান ২০২২ সালে প্রথমবার কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হন। এরপর ২০২৪ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী স্টিফেন কিংকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হন। ওই নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী স্টিফেন কিং পেয়েছিলেন ১৮ হাজার ৪২২ ভোট।

 

সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের নির্বাচনেও নিজের আসন ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী জেন জেনিংসকে পরাজিত করে তিনি তৃতীয়বারের মতো কানেকটিকাট স্টেট সিনেটের সদস্য নির্বাচিত হলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে আবারও জয়ী হাজীগঞ্জের কৃতী সন্তান মাসুদুর রহমান

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে আবারও জয়ী হাজীগঞ্জের কৃতী সন্তান মাসুদুর রহমান

আপডেট : ১১:৫৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

 

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের বেলচোঁ গ্রামের কৃতী সন্তান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মাসুদুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আবারও বিজয়ী হয়েছেন।

 

ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে তিনি কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটের ৪ নম্বর আসন থেকে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এই জয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে জন্মভূমি হাজীগঞ্জের মানুষের মাঝেও বইছে আনন্দের হাওয়া।

 

৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মাসুদুর রহমান তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী জেন জেনিংসকে পরাজিত করেন। নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, তিনি মোট ভোটের প্রায় ৬৬ শতাংশ এবং জেন জেনিংস প্রায় ৩৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) বুধবার ভোরে তাঁর বিজয় নিশ্চিত করে। তবে নির্বাচনের ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যয়ন করা বাকি।

 

মাসুদুর রহমানের জন্ম ও শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত এলাকা চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের বেলচোঁ গ্রাম। তিনি স্থানীয় বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বাংলাদেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামের শিক্ষার্থী থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের আইনপ্রণেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অর্জন।

 

প্রবাসে বসবাস করেও তিনি নিজের শিকড় ও জন্মভূমির পরিচয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে তাঁকে নিয়ে গর্ববোধ করেন এলাকাবাসী। তাঁর রাজনৈতিক সাফল্য হাজীগঞ্জ তথা চাঁদপুরের মানুষের কাছে বিশেষভাবে আনন্দের বিষয় হয়ে উঠেছে।

 

মাসুদুর রহমান ২০২২ সালে প্রথমবার কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হন। এরপর ২০২৪ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী স্টিফেন কিংকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হন। ওই নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী স্টিফেন কিং পেয়েছিলেন ১৮ হাজার ৪২২ ভোট।

 

সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের নির্বাচনেও নিজের আসন ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী জেন জেনিংসকে পরাজিত করে তিনি তৃতীয়বারের মতো কানেকটিকাট স্টেট সিনেটের সদস্য নির্বাচিত হলেন।