ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাইলস্টোনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সেনাসদস্যদের সাহসিকতা ও মানবিকতার স্বীকৃতি দিলেন সেনাপ্রধান

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:২১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • 26

 

রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সংঘটিত মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া সেনাবাহিনীর সদস্যদের সাহসিকতা, মানবিকতা ও পেশাদারিত্বের অনন্য নজির স্থাপনের স্বীকৃতি হিসেবে আজ সেনাসদরে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি ওই অভিযানে অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

উদ্ধারকাজ চলাকালীন সেনাসদস্যরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়েই কোমলমতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্টাফদের নিরাপদে সরিয়ে আনেন। দ্রুততম সময়ে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা যে ধৈর্য, সাহস ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা শুধু বাহিনীর গৌরবই বাড়ায়নি, বরং জাতির হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছে।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন,
“এই সাহসিক ও মানবিক ভূমিকা সেনাবাহিনীর পেশাগত উৎকর্ষতার প্রতিচ্ছবি। এই অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা প্রমাণ করেছেন, প্রয়োজনে জাতির পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় প্রস্তুত। তাঁদের এ কর্মপ্রচেষ্টা ভবিষ্যতের প্রতিটি সেনাসদস্যের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।”

এই সম্মাননা শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি একটি কৃতজ্ঞ জাতির পক্ষ থেকে আত্মত্যাগ ও মানবিকতার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সোনাতলায় মাদকসহ নারী-পুরুষ আটক, জনসম্মুখে জব্দ মাদক ধ্বংস

মাইলস্টোনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সেনাসদস্যদের সাহসিকতা ও মানবিকতার স্বীকৃতি দিলেন সেনাপ্রধান

আপডেট : ০৯:২১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

 

রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সংঘটিত মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া সেনাবাহিনীর সদস্যদের সাহসিকতা, মানবিকতা ও পেশাদারিত্বের অনন্য নজির স্থাপনের স্বীকৃতি হিসেবে আজ সেনাসদরে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি ওই অভিযানে অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

উদ্ধারকাজ চলাকালীন সেনাসদস্যরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়েই কোমলমতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্টাফদের নিরাপদে সরিয়ে আনেন। দ্রুততম সময়ে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা যে ধৈর্য, সাহস ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা শুধু বাহিনীর গৌরবই বাড়ায়নি, বরং জাতির হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছে।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন,
“এই সাহসিক ও মানবিক ভূমিকা সেনাবাহিনীর পেশাগত উৎকর্ষতার প্রতিচ্ছবি। এই অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা প্রমাণ করেছেন, প্রয়োজনে জাতির পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় প্রস্তুত। তাঁদের এ কর্মপ্রচেষ্টা ভবিষ্যতের প্রতিটি সেনাসদস্যের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।”

এই সম্মাননা শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি একটি কৃতজ্ঞ জাতির পক্ষ থেকে আত্মত্যাগ ও মানবিকতার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।