ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিপাই কান্দি ও চরহরিগোপ এলাকায় পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি : জনদুর্ভোগ চরমে 

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৮:৫৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • 40
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের মতলব উত্তর উপজেলার ১০ নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের এনায়েত নগর মৌজার ৮ নং ওয়ার্ড সিপাইকান্দি, চরহরিগোপ এলাকায় বাড়িঘর সহ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তার উপর জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
 সরজমিনে জানা যায়, মতলব খেয়াঘাট হতে বেড়ীবাঁধের ভিতর দিয়ে চরহরিগোপ হয়ে সিপাই কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘেঁষে সিপাইকান্দি মরহুম বাচ্চু মিয়ার বাড়ির সামনে বেড়ীবাঁধ সড়কে মিলিত হয়েছে। এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, কিছু অংশ হেরিং বোন বন্ড বাকী অংশ কাঁচা। এ রাস্তার প্রসস্থ ১৬ ফিট। এ রাস্তার আশেপাশে একট প্রাইমারি স্কুল, মসজিদ, কবরস্থান, মাদ্রাসা ও ব্রাক স্কুল, আচঁল স্কুল, মন্দির। এ রাস্তা দিয়ে এসমস্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সহ যাত্রী সাধারণ, জনসাধারণ প্রতি নিয়ত আসা যাওয়া করে। ঐ গ্রামের অতি কাছাকাছি মতলব বাজার, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ও মানুষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
মতলব বাজারের সাথে রয়েছে ঐ এলাকার মানুষের সকল ধরনের সম্পর্ক। তাছাড়া ঐ এলাকার মানুষের ডিজিটাল সেবা পেতে হলে যেতে হয় ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ। ঐখানে যাওয়ার মাধ্যম শুধু একটি রাস্তা। সরজমিনে দেখা যায়, সিপাই কান্দি মরহুম নাজির হাজরা বাড়ির সামনে রাস্তার নীচ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি বড় আকারের পাইপ রয়েছে। গত ১৪/১৫ দিন পূর্বে জমির মালিকের প্রতিনিধি মো. হাবিব গ্রাম পশ্চিম বাইশপুর, তিনি ড্রেজিং করে পাইপ বসিয়ে অবৈধ ভাবে জমিটি ভরাট করে ফেলে, সে কারনে পানি নিষ্কাশনের পাইপ বন্ধ হয়ে রাস্তার পূর্ব দিকের জমি, পুকুর, বাড়ি, পথ ঘাট তলিয়ে শেষ পর্যন্ত জনসাধারনের চলাচলের মূল সড়ক তলিয়ে গেছে। এখন জনসাধারণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দূর্ভোগ। বয়স্করা ঘর থেকে পারছেনা বাহির হতে, শিশুদের কোলে করে নিতে হয় স্কুল মাদ্রাসায়। সড়কের উপর জমে থাকা পানি দূষিত। এ পানিতে বার বার আসা যাওয়ার কারণে মানুষের পানি বাহিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৩ আগষ্ট স্থানীয় প্যানেল চেয়ারম্যান সাংবাদিক একেএম গোলাম নবী খোকন, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ ও মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলী সরজমিন পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি অবগত আছেন। এলাকার মো. মোফাজ্জল হোসেন হাজরা, কাজী হেলাল, আব্দুল আজিজ, ইদ্রিস মিজি, হারুন সওয়ার, জহরলাল সূত্রধর, মো. মনির হোসেন বেপারী সহ অসংখ্য লোক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জরুরী ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশন ও যারা এভাবে অবৈধ ভাবে জমিতে বালি ভরাট করেছে এদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিরসনের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকা বাসি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে নতুন ইউএনওকে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড’-এর সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা

সিপাই কান্দি ও চরহরিগোপ এলাকায় পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি : জনদুর্ভোগ চরমে 

আপডেট : ০৮:৫৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের মতলব উত্তর উপজেলার ১০ নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের এনায়েত নগর মৌজার ৮ নং ওয়ার্ড সিপাইকান্দি, চরহরিগোপ এলাকায় বাড়িঘর সহ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তার উপর জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
 সরজমিনে জানা যায়, মতলব খেয়াঘাট হতে বেড়ীবাঁধের ভিতর দিয়ে চরহরিগোপ হয়ে সিপাই কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘেঁষে সিপাইকান্দি মরহুম বাচ্চু মিয়ার বাড়ির সামনে বেড়ীবাঁধ সড়কে মিলিত হয়েছে। এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, কিছু অংশ হেরিং বোন বন্ড বাকী অংশ কাঁচা। এ রাস্তার প্রসস্থ ১৬ ফিট। এ রাস্তার আশেপাশে একট প্রাইমারি স্কুল, মসজিদ, কবরস্থান, মাদ্রাসা ও ব্রাক স্কুল, আচঁল স্কুল, মন্দির। এ রাস্তা দিয়ে এসমস্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সহ যাত্রী সাধারণ, জনসাধারণ প্রতি নিয়ত আসা যাওয়া করে। ঐ গ্রামের অতি কাছাকাছি মতলব বাজার, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ও মানুষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
মতলব বাজারের সাথে রয়েছে ঐ এলাকার মানুষের সকল ধরনের সম্পর্ক। তাছাড়া ঐ এলাকার মানুষের ডিজিটাল সেবা পেতে হলে যেতে হয় ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ। ঐখানে যাওয়ার মাধ্যম শুধু একটি রাস্তা। সরজমিনে দেখা যায়, সিপাই কান্দি মরহুম নাজির হাজরা বাড়ির সামনে রাস্তার নীচ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি বড় আকারের পাইপ রয়েছে। গত ১৪/১৫ দিন পূর্বে জমির মালিকের প্রতিনিধি মো. হাবিব গ্রাম পশ্চিম বাইশপুর, তিনি ড্রেজিং করে পাইপ বসিয়ে অবৈধ ভাবে জমিটি ভরাট করে ফেলে, সে কারনে পানি নিষ্কাশনের পাইপ বন্ধ হয়ে রাস্তার পূর্ব দিকের জমি, পুকুর, বাড়ি, পথ ঘাট তলিয়ে শেষ পর্যন্ত জনসাধারনের চলাচলের মূল সড়ক তলিয়ে গেছে। এখন জনসাধারণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দূর্ভোগ। বয়স্করা ঘর থেকে পারছেনা বাহির হতে, শিশুদের কোলে করে নিতে হয় স্কুল মাদ্রাসায়। সড়কের উপর জমে থাকা পানি দূষিত। এ পানিতে বার বার আসা যাওয়ার কারণে মানুষের পানি বাহিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৩ আগষ্ট স্থানীয় প্যানেল চেয়ারম্যান সাংবাদিক একেএম গোলাম নবী খোকন, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ ও মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলী সরজমিন পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি অবগত আছেন। এলাকার মো. মোফাজ্জল হোসেন হাজরা, কাজী হেলাল, আব্দুল আজিজ, ইদ্রিস মিজি, হারুন সওয়ার, জহরলাল সূত্রধর, মো. মনির হোসেন বেপারী সহ অসংখ্য লোক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জরুরী ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশন ও যারা এভাবে অবৈধ ভাবে জমিতে বালি ভরাট করেছে এদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিরসনের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকা বাসি।