ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে হাজীগঞ্জে শহীদ আজাদ সরকারের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০১:৫০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • 26
হাজীগঞ্জে “শহীদ আজাদ সরকার” স্মৃতিফলক উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (৪ আগস্ট) সকালে পৌরসভাধীন টোরাগড় এলাকায় এ স্মৃতিফলকের উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইবনে আল জাহিদ হোসেন।
এসময় দেশের সকল শহীদের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মাহফিল পরিচালনা করেন, কাজী বাড়ি জামে মসজিদের খতিব ও পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্বাস আলী।
স্মৃতিফলকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আজিজুল হক, শহীদ আজাদ পরিবারের সদস্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই মঞ্চের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, শহীদ আজাদের মতো প্রতিবাদী মানুষদের স্মৃতি জাতির চেতনায় বাঁচিয়ে রাখা উচিত। তিনি শুধু একজন ব্যক্তি ছিলেন না, ছিলেন একটি আদর্শের প্রতীক।”
শহীদের পুত্র আহমেদ কবির হিমেল সরকার বলেন, “আমার বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলেও আজ তাঁর আত্মত্যাগ স্বীকৃতি পেয়েছে। আমাদের পরিবারের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।”
উল্লেখ্য, গতবছরের এই দিনে (৪ আগস্ট) বিকালে নিজ বসতবাড়ির সামনে পৌরসভাধীন ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি হিমেলের বাবা আজাদ সরকারকে কুপিয়ে আহত করেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাতেই মারা যান।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে নতুন ইউএনওকে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড’-এর সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে হাজীগঞ্জে শহীদ আজাদ সরকারের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন

আপডেট : ০১:৫০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
হাজীগঞ্জে “শহীদ আজাদ সরকার” স্মৃতিফলক উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (৪ আগস্ট) সকালে পৌরসভাধীন টোরাগড় এলাকায় এ স্মৃতিফলকের উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইবনে আল জাহিদ হোসেন।
এসময় দেশের সকল শহীদের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মাহফিল পরিচালনা করেন, কাজী বাড়ি জামে মসজিদের খতিব ও পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্বাস আলী।
স্মৃতিফলকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আজিজুল হক, শহীদ আজাদ পরিবারের সদস্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই মঞ্চের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, শহীদ আজাদের মতো প্রতিবাদী মানুষদের স্মৃতি জাতির চেতনায় বাঁচিয়ে রাখা উচিত। তিনি শুধু একজন ব্যক্তি ছিলেন না, ছিলেন একটি আদর্শের প্রতীক।”
শহীদের পুত্র আহমেদ কবির হিমেল সরকার বলেন, “আমার বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলেও আজ তাঁর আত্মত্যাগ স্বীকৃতি পেয়েছে। আমাদের পরিবারের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।”
উল্লেখ্য, গতবছরের এই দিনে (৪ আগস্ট) বিকালে নিজ বসতবাড়ির সামনে পৌরসভাধীন ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি হিমেলের বাবা আজাদ সরকারকে কুপিয়ে আহত করেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাতেই মারা যান।