ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় ১২০টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৮:১৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • 55

চাঁদপুরের কচুয়ায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২০টি অবৈধ ও নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন বিল ও জলাশয়ে ট্রলারযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘুগড়ার বিল, রাজারামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পানিতে পেতে রাখা নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন কচুয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ও সাচার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ জহিরুল ইসলাম। এ সময় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, আব্দুর রহমানসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা  মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা, ছোট মাছ ও জলজ প্রাণী নির্বিচারে ধরা পড়ে। এতে মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশীয় মাছ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে উপজেলা মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অবৈধ জাল ব্যবহার ও বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান তিনি। এতে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

আরকে/ সাইফ
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সোনাতলায় সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান, মণ্ডল হোটেলকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

কচুয়ায় ১২০টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

আপডেট : ০৮:১৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

চাঁদপুরের কচুয়ায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২০টি অবৈধ ও নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন বিল ও জলাশয়ে ট্রলারযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘুগড়ার বিল, রাজারামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পানিতে পেতে রাখা নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন কচুয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ও সাচার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ জহিরুল ইসলাম। এ সময় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, আব্দুর রহমানসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা  মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা, ছোট মাছ ও জলজ প্রাণী নির্বিচারে ধরা পড়ে। এতে মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশীয় মাছ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে উপজেলা মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অবৈধ জাল ব্যবহার ও বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান তিনি। এতে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

আরকে/ সাইফ