ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাহতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে ধস, পাস মাত্র ৫ জন

  • রিয়াজ শাওন
  • আপডেট : ০৮:২৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • 105

চাঁদপুর সদর উপজেলার সাহতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের ধস নেমেছে। ২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ১৮ জন। পাসের হার ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এ বছর কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।

একসময় প্রায় শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করা বিদ্যালয়টির এমন ফলাফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল অনুযায়ী, ২০২১ সালে ৫১ জনের মধ্যে ৫০ জন পাস করে বিদ্যালয়টির পাসের হার ছিল ৯৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। ২০২২ সালে ৬৭ জনের মধ্যে ৬০ জন পাস করে। এরপর ২০২৩ সালে পাসের হার নেমে আসে ৪৮ শতাংশে, ২০২৪ সালে ৭৬ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৩৯ দশমিক ৪৭ শতাংশে। সর্বশেষ ২০২৬ সালে তা আরও কমে ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে নানা অনিয়ম ও পাঠদান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাঁচ বছরের ব্যবধানে বিদ্যালয়টির পাসের হার ৯৮ দশমিক ০৪ শতাংশ থেকে কমে ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশে নেমেছে। এ অবস্থায় বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান ও হারানো সুনাম ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সোনাতলায় সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান, মণ্ডল হোটেলকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

সাহতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে ধস, পাস মাত্র ৫ জন

আপডেট : ০৮:২৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

চাঁদপুর সদর উপজেলার সাহতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের ধস নেমেছে। ২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ১৮ জন। পাসের হার ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এ বছর কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।

একসময় প্রায় শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করা বিদ্যালয়টির এমন ফলাফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল অনুযায়ী, ২০২১ সালে ৫১ জনের মধ্যে ৫০ জন পাস করে বিদ্যালয়টির পাসের হার ছিল ৯৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। ২০২২ সালে ৬৭ জনের মধ্যে ৬০ জন পাস করে। এরপর ২০২৩ সালে পাসের হার নেমে আসে ৪৮ শতাংশে, ২০২৪ সালে ৭৬ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৩৯ দশমিক ৪৭ শতাংশে। সর্বশেষ ২০২৬ সালে তা আরও কমে ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে নানা অনিয়ম ও পাঠদান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাঁচ বছরের ব্যবধানে বিদ্যালয়টির পাসের হার ৯৮ দশমিক ০৪ শতাংশ থেকে কমে ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশে নেমেছে। এ অবস্থায় বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান ও হারানো সুনাম ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।