মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি দরবার শরীফ এলাকা থেকে প্রেমিক যুগলকে আটক করে চাঁদা আদায়ের ঘটনায় ৩জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- ও আশপাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেজবাহ উদ্দিন (৩২), ০২। মোঃ গোলাম হাবিব সুজন (৩৫), ০৩। জিসান মাহমুদ (৩৮)।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সাড়ে ১১ টার দিকে ভূক্তভোগী মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন তার প্রেমিকাকে নিয়ে মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি উয়েশিয়া দরবার শরীফ জিয়ারত শেষে চলে যাওয়ার সময় ফরাজীকান্দি উয়েসিয়া দরবার শরীফ অতিথি ভবনের সামনে পৌছালে মেজবাহ উদ্দিন, মোঃ গোলাম হাবিব সুজন, জিসান মাহমুদ, আরিফুর রহমান, সোলেমান’সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন তাদের পথরোধ করে তাদেরকে অবৈধভাবে আটক করে মেজবাহ উদ্দিন এর ফুফুর বাসা ফরাজিকান্দি শিকদার বাড়ীতে নিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখে।
এসময় আসামীরা ভোক্তভোগীদের মারধর করে তাহাদের নিকট ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। পরবর্তীতে ভূক্তভোগী আব্দুল্লাহ আল মামুন তার ব্যবহৃত বিকাশ নাম্বার থেকে আসামী মো. গোলাম হাবিব সুজন এর বিকাশ নম্বরে ৩১ হাজার টাকা গ্রহণ করে এবং তাদের দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকার মধ্যে বাকি ২০ হাজার টাকা আদায়ের শর্তে ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত ভিভৌ স্মার্ট ফোনটি আসামীদের হেফাজতে রেখে ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে বিবাদীরা বাকি টাকার জন্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভূক্তভোগীকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।
ভুক্তভোগী নিরুপায় হয়ে থানা পুলিশের স্মরণাপন্ন হলে বিষয়টি তাৎক্ষনিক উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের সার্বিক দিক নিদের্শনায় সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবীর হুসনাইন সানীব, মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আলিমুল হক প্রধানের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে এসআই(নিরস্ত্র) জীবন চৌধুরী, এএসআই(নিরস্ত্র) রবিউল হোসেন’সহ থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল ও আশপাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেজবাহ উদ্দিন (৩২), মোঃ গোলাম হাবিব সুজন (৩৫), জিসান মাহমুদ (৩৮)দের আটক করে।
এসময় তাদের হেফাজত হতে ভূক্তভোগীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি আসামীদের হেফাজত হতে উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান ওসি মোহাম্মদ কামরুল হাসান।




















