ফরিদগঞ্জে তৃতীয় লিঙ্গের একজন সহ সংঘবদ্ধ একটি চক্র অন্তর্ভুক্তি সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ,জেলা প্রশাসক ,এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার খাস লোক পরিচয় দিয়ে এবং উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের সাথে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জারে যোগাযোগ রয়েছে এমন তথ্য দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ মোঃ ঝুটন মিয়া প্র: যারা রহমান (৩৯ )নামে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার চর-দুখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের বিষকাটালি গ্রামের বাসু ব্যাপারীর ছেলে মোঃ ঝুটন মিয়া প্র: যারা রহমান তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি। সে তার তিন চার জন সহযোগী সহ এলাকার বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার মাধ্যমে চাঁদাবাজি করত এবং মানুষকে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলত বিভিন্ন সময়ে সে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে এবং তার সাথে নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপে মেসেঞ্জারে যোগাযোগ হয় ।সে উপদেষ্টা জেলা প্রশাসন এবং ইউএনও এর খাস লোক পরিচয় দেয়।
গত ৫ ডিসেম্বর সে বিসকাটালি গ্রামের বোরহান মিজির বাড়িতে গিয়ে নিজেকে উপদেষ্টা মাহফুজ ডিসি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার খাস লোক পরিচয় দিয়ে এবং তার সাথে নিয়মিত কথা হয় মর্মে ছবি দেখিয়ে হুমকি দেয় এবং তার নিকট ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে একপর্যায়ে বোরহান মিজি বাধ্য হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা নগদ প্রদান করেন।
পরক্ষণে তিনি প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ফরিদগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন । থানা পুলিশ মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযুক্ত মোঃ জুটন মিয়া প্র: যারা রহমান (৩৯)নামে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে আটক করে।
এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোঃ শাহ আলম জানান মো: ঝুটন মিয়া প্র: যারা রহমান ও তার সঙ্গীরা বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করত। থানায় মামলা দায়ের পর তাকে আটক করে বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) তাকে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফরিজগঞ্জ থানায় ডাকাতি মামলা সহ আরো ৫টি মামলা রয়েছে।


















