শাহছুফি পীরে কামেল আলহাজ্ব ফকির আবদুর রহমান (দরবেশ)-এর স্মরণে ফরিদগঞ্জের চরকুমিরা দরবার শরীফের ৯৮তম ইছালে সাওয়াব ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া ফরিদগঞ্জের চরকুমিরা বোরহান উদ্দিন হাজী বাড়ির মাজার শরীফ ইছালে সাওয়াব মাহফিলের দোয়াগীর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়তে হিযবুল্লাহ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ আলহাজ্ব মাওলানা সাইফুদ্দিন খন্দকার।
দরবার শরীফের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এম মহিউদ্দিন আলমগীরের সভাপতিত্বে মাহফিলে প্রধান মেহমান ছিলেন আলগী বাজার সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা জিল্লুর রহমান ফারুকী। প্রধান বক্তা কুমিল্লা লক্ষ্মীপুর জামে মসজিদের খতিব মুফতি জুনায়েদ সিদ্দিকী আত তাহেরী। বিশেষ বক্তা হিসেবে ওয়াজ করেছেন চান্দ্রা দরবার শরীফের খাদেম ও তরুণ বক্তা ক্বারী রিয়াজুল ইসলাম সাইফী।
মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ফরিদগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মঞ্জিল হোসেন, বিএনপির সৌদি পূর্বাঞ্চল প্রদেশের প্রধান উপদেষ্টা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ মুকুল পাটওয়ারী।
বাৎসরিক মাহফিলে বক্তারা বলেন, এদেশে ইসলাম এসেছে পীর আউলিয়াদের হাত ধরে। পীর আউলিয়াদের অবমাননা এ অপমান করাটা কোনোভাবেই আমাদের জন্য কাম্য নয়। প্রকৃত ইসলামের রীতি-নীতি সম্পর্কে বিশদ জেনে সেটাকে আঁকড়ে ধরতে হবে। পীর ওলীগণের মাজার আমাদের জন্য শিক্ষনীয় একটি অধ্যায় বলেই জানি। চরকুমিরা দরবার শরীফের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি।
মাহফিলের আখেরি মোনাজাতে দেশ ও বিদেশের মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন প্রধান মেহমান ও দোয়াগীর। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহফিল এন্তেজামিয়া কমিটির আলহাজ্ব নূর মোঃ মাস্টার, ডাঃ মোঃ ইব্রাহীম মিয়া, মাওলানা মোজাম্মেল হোসেন, গাউছিয়া কমিটির হাজী আবুল কালাম আজাদ। আখেরি মোনাজাতের পর উপস্থিত হাজারো মুসল্লির মাঝে তাবাররুক বিতরণ করা হয়।


















