জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবে সংঘটিত গণহত্যার বিচার, দুর্নীতিবাজদের গ্রেফতার, অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও নির্বাচনে তাদের অযোগ্য ঘোষণা করা, সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামী সমাজভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি মানসুর আহমেদ সাকী বলেন, আগামী নির্বাচন সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে দিতে হবে। এই পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে বৈষম্য তৈরি হবে। উদাহরণ সরূপ একটি আসনে ৫ জন প্রার্থীর ভোট হলো, ১০%+১৫%+২০%+২৫%+৩০% মোট ১০০%। তার মধ্যে যিনি ৩০% ভোট পাবেন তিনি বিজয়ী। এতে করে ৩০% সমর্থনের বিজয়ী ৭০% বিজয়ীকে শাসন করবে। সুতরাং এতে সাম্য নয় বরং বৈষম্য সৃষ্টি হবে।
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের দেশে বৈষম্য থাকতে পারেনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ক্ষেত্রে ব্যক্তি-প্রার্থীর পরিবর্তে, নির্বাচন হবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। এক্ষেত্রে ৩’শ আসনে নয়, পুরো বাংলাদেশ হবে একটি আসন। নির্বাচনে যে দল মোট প্রদত্ত ভোটের যত শতাংশ পাবে, সেই অনুপাতে সংসদে প্রতিনিধি পাঠাতে পারবে। বিশ্বের প্রায় ১’শটি দেশে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি অনুসরণ করে।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নুরুদ্দিন, হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার উপদেষ্টা সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল কাদের, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সেক্রেটারী হাফেজ মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন প্রধানীয়া, প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ কামাল গাজী, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উপজেলা সভাপতি মুফতি আনোয়ার হোসাইন।
বাকিলা ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মাহবুবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মিয়াজী, ইসলামী আন্দোলনের বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের সভাপতি মুফতি শরীফুল ইসলাম, দ্বাদশগ্রাম ইউনিয়নের সভাপতি মাওলানা কুতুবুদ্দিন রাব্বানী, সদর ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী পাটোয়ারী, রাজারগাঁও ইউনিয়নের সভাপতি ক্বারী আবুল হাশেম বেপারী ও মালয়েশিয়া শাখার প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিব প্রমুখ।




















