চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী উপজেলা রামগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে এক তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে চাঁদপুর জেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান শুরু হয়। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো জেলার দুষ্কৃতিকারী, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ৯ নভেম্বর আনুমানিক রাত ১১টায় স্থানীয় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাজীগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা রামগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান (২৮) কে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
যৌথ বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, আটক মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী রামগঞ্জ এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। স্থানীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং সে মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত।
গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসানকে ও উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ প্রমাণাদি পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলার প্রতিটি উপজেলা, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে। তারা বলেন—
মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। সমাজ থেকে মাদক সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।”
স্থানীয় এলাকাবাসী যৌথ বাহিনীর এ সফল অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসা অনেকাংশে হ্রাস পাবে এবং তরুণ সমাজ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে।




















