ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে কলা ও মৌসুমী ফল পাকাতে বিষাক্ত কেমিক্যাল, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য – Rknews71

জসিম উদ্দিন, ফরিদগঞ্জ:
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সবক’টি বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীরা বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করে কলা পাকাচ্ছে। এতে মারাত্মক জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হলেও ব্যবসায়ীরা এবিষয়ে উদাসীন।
বুধবার উপজেলা সদর রূপসা বাজার, চান্দ্রা,মুন্সির হাট, পাটোয়ারী বাজার, গাজী পুর সহ এলাকায় কলার আড়তে খোঁজ নিয়ে এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। কিন্তু এবিষয়ে প্রশাসনের কোন প্রকার মাথা ব্যথা নেই। নেই কোন অভিযান। কোন প্রকার তদারকি না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগটা কাজে লাগিয়ে মানুষ কে বিষাক্ত কেমিক্যাল যুক্ত কলা খাওয়াচ্ছে। অতিরিক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করার কারনে করার রং পরিবর্তন হয়ে থাকে।অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় বিক্রি করছে কলা।
ফল পাকাতে ও রঙ আনতে ব্যবহৃত বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কেমিক্যাল মেশানো  কলা বা অন্যান্য ফল লাভ হয় বেশি।
স্থানীয়রা বলেন, যদি উপজেলা প্রশাসনের অভিযান করতে পারতো, তাহলে আর এসব অনৈতিক কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা  জড়িত থাকতো না ।
কলা ক্রেতা জানান,  কেমিক্যাল মেশানোর পর একদিনের মধ্যে কলা পেকে যায়। কোনোটার রঙ হয় হলুদ, কোনোটা আবার গাঢ় হলুদ হয়।এদিকে শুধু কলা নয় মৌসুমি প্রায় সব ফলই এখন বিষে ভরা। বাজারে এখন কেমিক্যাল মিশ্রিত ফলই বেশি।
উপজেলার চান্দ্রা এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, কলার আড়তসহ বিভিন্ন ফলের দোকানে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী দেদারছে কেমিক্যাল ব্যবহার করে চলেছেন। এসব আড়তে ও দোকানে কোনো কোনো ব্যবসায়ী ফল পাকাতে এ ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করছেন।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবুরকান্দি ফাতেমাতুজ জোহরা (রা.) জামে মসজিদের উদ্বোধন

ফরিদগঞ্জে কলা ও মৌসুমী ফল পাকাতে বিষাক্ত কেমিক্যাল, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য – Rknews71

আপডেট : ০৩:১৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুন ২০২২
জসিম উদ্দিন, ফরিদগঞ্জ:
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সবক’টি বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীরা বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করে কলা পাকাচ্ছে। এতে মারাত্মক জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হলেও ব্যবসায়ীরা এবিষয়ে উদাসীন।
বুধবার উপজেলা সদর রূপসা বাজার, চান্দ্রা,মুন্সির হাট, পাটোয়ারী বাজার, গাজী পুর সহ এলাকায় কলার আড়তে খোঁজ নিয়ে এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। কিন্তু এবিষয়ে প্রশাসনের কোন প্রকার মাথা ব্যথা নেই। নেই কোন অভিযান। কোন প্রকার তদারকি না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগটা কাজে লাগিয়ে মানুষ কে বিষাক্ত কেমিক্যাল যুক্ত কলা খাওয়াচ্ছে। অতিরিক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করার কারনে করার রং পরিবর্তন হয়ে থাকে।অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় বিক্রি করছে কলা।
ফল পাকাতে ও রঙ আনতে ব্যবহৃত বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কেমিক্যাল মেশানো  কলা বা অন্যান্য ফল লাভ হয় বেশি।
স্থানীয়রা বলেন, যদি উপজেলা প্রশাসনের অভিযান করতে পারতো, তাহলে আর এসব অনৈতিক কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা  জড়িত থাকতো না ।
কলা ক্রেতা জানান,  কেমিক্যাল মেশানোর পর একদিনের মধ্যে কলা পেকে যায়। কোনোটার রঙ হয় হলুদ, কোনোটা আবার গাঢ় হলুদ হয়।এদিকে শুধু কলা নয় মৌসুমি প্রায় সব ফলই এখন বিষে ভরা। বাজারে এখন কেমিক্যাল মিশ্রিত ফলই বেশি।
উপজেলার চান্দ্রা এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, কলার আড়তসহ বিভিন্ন ফলের দোকানে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী দেদারছে কেমিক্যাল ব্যবহার করে চলেছেন। এসব আড়তে ও দোকানে কোনো কোনো ব্যবসায়ী ফল পাকাতে এ ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করছেন।