ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে হামলা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

শাহরাস্তিতে হামলা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়
প্রবাসে পাঠানোর নামে টাকা আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার।

রোববার বিকেলে শাহরাস্তি প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের বড়তুলা তালুকদার বাড়ির বাসিন্দা মো. আশিক ইকবাল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, আমার ভাই ফজলে রাব্বি সবুজ একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হামলা চালিয়েছে। প্রায় চার বছর আগে একই গ্রামের সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী লোকমান হোসেন টিটু তাকে দক্ষিণ আফ্রিকায় নেওয়ার প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে আলোচনার ভিত্তিতে ভিসা ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৭ লাখ টাকা প্রদান করা হলেও টিটু তাকে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠাতে ব্যর্থ হন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন অজুহাত দেখানোর পাশাপাশি হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং এরই জের ধরে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। আশিক ইকবাল অভিযোগ করেন, গত ২৯ মে জুমার নামাজের পর আবদুল খালেক ও জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাদের বসতবাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় পরিবারের চার সদস্যকে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়। পাশাপাশি ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি জানান, আহত ফজলে রাব্বি সবুজ বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় তার মা ফরিদা ইয়াসমিন বাদী হয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আশিক ইকবাল প্রবাসে পাঠানোর নামে নেওয়া ৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আইনগত সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি বলেন, আমরা একটি অসহায় পরিবার। আমাদের ওপর সংঘটিত ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হার্টের ব্যথায় হাসপাতালে হাজীগঞ্জের বাকিলা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান

শাহরাস্তিতে হামলা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : ০৩:১৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

শাহরাস্তিতে হামলা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়
প্রবাসে পাঠানোর নামে টাকা আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার।

রোববার বিকেলে শাহরাস্তি প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের বড়তুলা তালুকদার বাড়ির বাসিন্দা মো. আশিক ইকবাল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, আমার ভাই ফজলে রাব্বি সবুজ একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হামলা চালিয়েছে। প্রায় চার বছর আগে একই গ্রামের সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী লোকমান হোসেন টিটু তাকে দক্ষিণ আফ্রিকায় নেওয়ার প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে আলোচনার ভিত্তিতে ভিসা ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৭ লাখ টাকা প্রদান করা হলেও টিটু তাকে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠাতে ব্যর্থ হন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন অজুহাত দেখানোর পাশাপাশি হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং এরই জের ধরে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। আশিক ইকবাল অভিযোগ করেন, গত ২৯ মে জুমার নামাজের পর আবদুল খালেক ও জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাদের বসতবাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় পরিবারের চার সদস্যকে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়। পাশাপাশি ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি জানান, আহত ফজলে রাব্বি সবুজ বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় তার মা ফরিদা ইয়াসমিন বাদী হয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আশিক ইকবাল প্রবাসে পাঠানোর নামে নেওয়া ৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আইনগত সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি বলেন, আমরা একটি অসহায় পরিবার। আমাদের ওপর সংঘটিত ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।