চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহাসিক সাচার জগন্নাথ ধাম মন্দিরের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মন্দির কমিটির সভাপতি বটু কৃষ্ণ বসু গঠনতন্ত্রের নিয়মকে তোয়াক্কা না করে পূর্বের ২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির মাত্র ৪-৫ জন সদস্যসহ স্থানীয় ৪০-৪৫ জন নিয়ে মন্দিরের সামনে একটি সাধারণ সভা করেন। সেখানে তিনি নিজেকে পুনরায় সভাপতি ঘোষণা করে একটি নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি পেশ করেন।
এর প্রতিবাদে ২৬ আগস্ট বুধবার মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাসু দেব সাহা প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় আজ দুপুর ১টায় ১নং সাচার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সনাতনী সম্প্রদায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও উভয় পক্ষকে নিয়ে এক জরুরি সভা করেন। সভায় তিনি উভয় পক্ষের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং বর্তমান কমিটি গঠনতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
এছাড়া এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি উভয় পক্ষকে ধৈর্য ধারণ ও শান্ত থাকার আহ্বান জানান।
ইউএনও আরও জানান, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন স্যারের সাথে পরামর্শ করে গঠনতন্ত্র মোতাবেক কমিটি হবে বলে উপস্থিত সনাতনী সম্প্রদায়ের ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে এই আশ্বস্ত করেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবু নাছির, ১নং সাচার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ফনি ভূষণ মজুমদার তাপু, সহ-সভাপতি শিবু লাল সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিকাশ সাহা, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ পোদ্দার, জন্মাষ্টমী পরিষদের কমিটির সভাপতি মানিক ভৌমিক, সহ-সভাপতি মানিক মজুমদার সোহাগ এবং যুব ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব বিনয় সরকার প্রমুখ।




















