ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪ মাসে ১ বার তালাক, ২ বার বিয়ে! অভিভাবকের বাঁধার মুখে উভয়েই আত্মহত্যার চেষ্টা – Rknews71

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১২:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২
  • 136

নূরুল ইসলাম ফরহাদ :

অবুজ দু’টি প্রাণ, অবুজেই বাঁধলো ঘর। কোর্ট ম্যারেজ নামক সহজ সিষ্টেম তাদের অসুন্দর পথকে করে দিয়েছে অধিকতর সহজ। ৪ মাসের মধ্যে তাদের বিয়ে হয়েছে ২ বার, তালাক হয়েছে ১ বার। ২য় বিয়ের ৬ দিনের মাথায় পুলিশের সহযোগিতায় মেয়েকে উদ্ধার করে আনে তার পরিবার। চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদেরকে বিচ্ছেদ করার চেষ্টার কারনে উভয়ই আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরিবারের নজরদারির কারনে এ যাত্রায় তার বেঁচে গেলেও শঙ্কা এখনো থেকে গেছে। যেকোনো সময় তারা যেকোনো কিছু ঘটিয়ে ফেলতে পারে।

ফরিদগঞ্জ কে আর প্রত্যাশী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী মারিয়া আক্তার ও একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২১ সালে এস.এস.সি পাশ ছাত্র মো. অপু দীর্ঘদিন প্রেমের দরিয়ায় নাও চালিয়েছেন। কচি দু’টি মনে হঠাৎ করেই রঙিন ফানুস উড়তে থাকে। এবার তারা বিয়ে করবে। অপুর বন্ধুদের সহযোগিতায় চলতি বছরের ২৭ জুলাই তারা চাঁদপুর কোর্টে গিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। এ বিয়ের জল গড়িয়েছে বহু দূর।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১০নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাঁসা গ্রামের সৌদি প্রবাসী মাসুদ আলমের বড় মেয়ে মারিয়া ও ৯নং গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের আব্দুল হামিদ গাজীর ছেলে মো. অপু গাজী পালিয়ে বিয়ে করে। তাদের গোপন বিয়ের খবর আর গোপন রইলো না। মেয়ের মা সহ আত্মীয়-স্বজন মারিয়াকে মোটিভেশন করিয়ে ছেলেকে তালাক দেয়। কিন্তু অপুর প্রেমের শক্তির কাছে আবারও নতজানু হতে হয় মারিয়াকে। সকল বাঁধা বিপত্তিকে পায়ে দলে তারা আবারও বিয়ে করেন। এবারও তারা কোর্টের দারস্থ হতে হয়। তবে মারিয়া হলফনামায় তথ্য গোপন করে অসত্য তথ্য দিয়েছে।

গত ২০ নভেম্বর রবিবার কোর্টে গিয়ে ২য় বারের মতো বিবাহ বন্দনে আবদ্ধ হয় তারা। বিয়ের পর অপু তার বৌকে নিয়ে উঠেন ভগ্নিপতির বাড়ি ফরিদগঞ্জের মিরপুরে। সেখানে তারা সুখেই দিনাতিপাত করছিলো। তাদের সুখে অসুখ হয়ে আসিন হন মারিয়ার মা তাছলিমা বেগম। তিনি এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের আলোকে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার এস.আই মহিউদ্দিন ছেলের অভিভাবককের সাথে কথা বললে তারা মারিয়াকে গত ২৬ নভেম্বর তার মায়ের হাতে তুলে দেন।

এদিকে মারিয়াকে তার মায়ের হেফাজতে দেওয়ার কয়েক ঘন্টার পর সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। মারিয়া আত্মহত্যা করতে গেছে এ সংবাদ শুনে অপুও তার ঘরে থাকা কীটনাশক খাওয়ার চেষ্টা করে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

৪ মাসে ১ বার তালাক, ২ বার বিয়ে! অভিভাবকের বাঁধার মুখে উভয়েই আত্মহত্যার চেষ্টা – Rknews71

আপডেট : ১২:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

নূরুল ইসলাম ফরহাদ :

অবুজ দু’টি প্রাণ, অবুজেই বাঁধলো ঘর। কোর্ট ম্যারেজ নামক সহজ সিষ্টেম তাদের অসুন্দর পথকে করে দিয়েছে অধিকতর সহজ। ৪ মাসের মধ্যে তাদের বিয়ে হয়েছে ২ বার, তালাক হয়েছে ১ বার। ২য় বিয়ের ৬ দিনের মাথায় পুলিশের সহযোগিতায় মেয়েকে উদ্ধার করে আনে তার পরিবার। চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদেরকে বিচ্ছেদ করার চেষ্টার কারনে উভয়ই আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরিবারের নজরদারির কারনে এ যাত্রায় তার বেঁচে গেলেও শঙ্কা এখনো থেকে গেছে। যেকোনো সময় তারা যেকোনো কিছু ঘটিয়ে ফেলতে পারে।

ফরিদগঞ্জ কে আর প্রত্যাশী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী মারিয়া আক্তার ও একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২১ সালে এস.এস.সি পাশ ছাত্র মো. অপু দীর্ঘদিন প্রেমের দরিয়ায় নাও চালিয়েছেন। কচি দু’টি মনে হঠাৎ করেই রঙিন ফানুস উড়তে থাকে। এবার তারা বিয়ে করবে। অপুর বন্ধুদের সহযোগিতায় চলতি বছরের ২৭ জুলাই তারা চাঁদপুর কোর্টে গিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। এ বিয়ের জল গড়িয়েছে বহু দূর।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১০নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাঁসা গ্রামের সৌদি প্রবাসী মাসুদ আলমের বড় মেয়ে মারিয়া ও ৯নং গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের আব্দুল হামিদ গাজীর ছেলে মো. অপু গাজী পালিয়ে বিয়ে করে। তাদের গোপন বিয়ের খবর আর গোপন রইলো না। মেয়ের মা সহ আত্মীয়-স্বজন মারিয়াকে মোটিভেশন করিয়ে ছেলেকে তালাক দেয়। কিন্তু অপুর প্রেমের শক্তির কাছে আবারও নতজানু হতে হয় মারিয়াকে। সকল বাঁধা বিপত্তিকে পায়ে দলে তারা আবারও বিয়ে করেন। এবারও তারা কোর্টের দারস্থ হতে হয়। তবে মারিয়া হলফনামায় তথ্য গোপন করে অসত্য তথ্য দিয়েছে।

গত ২০ নভেম্বর রবিবার কোর্টে গিয়ে ২য় বারের মতো বিবাহ বন্দনে আবদ্ধ হয় তারা। বিয়ের পর অপু তার বৌকে নিয়ে উঠেন ভগ্নিপতির বাড়ি ফরিদগঞ্জের মিরপুরে। সেখানে তারা সুখেই দিনাতিপাত করছিলো। তাদের সুখে অসুখ হয়ে আসিন হন মারিয়ার মা তাছলিমা বেগম। তিনি এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের আলোকে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার এস.আই মহিউদ্দিন ছেলের অভিভাবককের সাথে কথা বললে তারা মারিয়াকে গত ২৬ নভেম্বর তার মায়ের হাতে তুলে দেন।

এদিকে মারিয়াকে তার মায়ের হেফাজতে দেওয়ার কয়েক ঘন্টার পর সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। মারিয়া আত্মহত্যা করতে গেছে এ সংবাদ শুনে অপুও তার ঘরে থাকা কীটনাশক খাওয়ার চেষ্টা করে।