চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকালে হাজীগঞ্জ বাজারস্থ উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাহ হোসেন, এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম মিঠু (চৌধুরী)।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি হাসান বিন সফিক সোহাগ। আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোহেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মুজিবুর রহমান ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এম আর গনি মোস্তফা।
এছাড়া জেলা পর্যায় থেকে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদ মাঝি, সদস্য সচিব সামসুল আরেফিন এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল আলম সূর্য।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, “ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে হাজীগঞ্জে এসে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের কার্যক্রম শুরু করেছি। অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সক্রিয় ছিলেন, মামলার শিকার হয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন—তাদেরকেই মূল্যায়ন করে নেতা নির্বাচিত করা হবে। কেবলমাত্র সুসময়ে দলে আসা কর্মীদের নেতৃত্বে আনা হবে না।”
কর্মী সম্মেলনে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব পদের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের নাম আহ্বান করা হলে, ৩ জন আহ্বায়ক এবং ২১ জন সদস্য সচিব পদে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর প্রত্যেক প্রার্থীকে ১ মিনিট করে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
এ সময় প্রার্থীদের বলা হয়— অতীতে দলের জন্য কী অবদান রেখেছেন, কতটি মামলার সম্মুখীন হয়েছেন, কয়দিন জেল খেটেছেন এবং তাঁদের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে।
প্রার্থীরা তাঁদের বক্তব্যে দলের প্রতি তাঁদের ত্যাগ, জেল-জুলুম ও নিপীড়নের বাস্তবতা তুলে ধরেন।
সম্মেলনের শেষাংশে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জানান, “সকল প্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর যোগ্য, পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদেরকেই আহ্বায়ক কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হবে।”
সম্মেলনকে ঘিরে সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর। বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল ও স্লোগানে উপস্থিত হয়ে প্রাঙ্গণকে করে তোলেন মুখরিত ও প্রাণবন্ত। সম্মেলনস্থলজুড়ে ছিল ব্যানার, ফেস্টুন, গুঞ্জন আর নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের প্রচারনার দৃশ্য।
ক্যাপশন:সম্মেলনের বক্তব্য রাখছেন অতিথীরা


















