ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে, দাম বাড়ার শঙ্কা নেই

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০২:২৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • 230

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে গতকাল পর্যন্ত সাতটি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের সন্তোষজনক মজুত রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ডিজেল রয়েছে ১৪ দিনের চাহিদা মেটানোর মতো। অকটেনের মজুত রয়েছে ২৮ দিনের, পেট্রোল ১৫ দিনের, ফার্নেস অয়েল ৯৩ দিনের এবং জেট এ-১ (বিমান জ্বালানি) প্রায় ৩০ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম।
মজুতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ডিজেলের মোট মজুত ২ লাখ ১৪ হাজার মেট্রিক টন, যার মধ্যে ১ লাখ ৬৪ হাজার মেট্রিক টন ব্যবহারযোগ্য। অকটেন রয়েছে মোট ৩৭ হাজার মেট্রিক টন, ব্যবহারযোগ্য ৩৪ হাজার মেট্রিক টন। পেট্রোলের মোট মজুত ২১ হাজার মেট্রিক টন, ব্যবহারযোগ্য ১৯ হাজার মেট্রিক টন। ফার্নেস অয়েলের মোট মজুত ৮৫ হাজার মেট্রিক টন, যার মধ্যে ৭৬ হাজার মেট্রিক টন ব্যবহারযোগ্য। এছাড়া জেট এ-১ এর মোট মজুত ৬০ হাজার মেট্রিক টন এবং ব্যবহারযোগ্য রয়েছে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন।
বিপিসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ধারাবাহিকভাবে আমদানি কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। ফলে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে, দাম বাড়ার শঙ্কা নেই

আপডেট : ০২:২৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে গতকাল পর্যন্ত সাতটি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের সন্তোষজনক মজুত রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ডিজেল রয়েছে ১৪ দিনের চাহিদা মেটানোর মতো। অকটেনের মজুত রয়েছে ২৮ দিনের, পেট্রোল ১৫ দিনের, ফার্নেস অয়েল ৯৩ দিনের এবং জেট এ-১ (বিমান জ্বালানি) প্রায় ৩০ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম।
মজুতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ডিজেলের মোট মজুত ২ লাখ ১৪ হাজার মেট্রিক টন, যার মধ্যে ১ লাখ ৬৪ হাজার মেট্রিক টন ব্যবহারযোগ্য। অকটেন রয়েছে মোট ৩৭ হাজার মেট্রিক টন, ব্যবহারযোগ্য ৩৪ হাজার মেট্রিক টন। পেট্রোলের মোট মজুত ২১ হাজার মেট্রিক টন, ব্যবহারযোগ্য ১৯ হাজার মেট্রিক টন। ফার্নেস অয়েলের মোট মজুত ৮৫ হাজার মেট্রিক টন, যার মধ্যে ৭৬ হাজার মেট্রিক টন ব্যবহারযোগ্য। এছাড়া জেট এ-১ এর মোট মজুত ৬০ হাজার মেট্রিক টন এবং ব্যবহারযোগ্য রয়েছে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন।
বিপিসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ধারাবাহিকভাবে আমদানি কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। ফলে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।