ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সাফল্য, পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল যমজ বোনের | Rknews71

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৫:০৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২
  • 304

অনলাইন ডেস্কঃ

পরীক্ষার্থী দু’জন, কিন্তু পরীক্ষা হলে আলাদাভাবে বসানো যাবে না তাঁদের! তেলেঙ্গানা বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ভালো ফল করে তাক লাগিয়ে দিল হায়দরাবাদের সংযুক্ত যমজ (Conjoined Twins) বীণা ও বাণি। জন্ম থেকে তেলেঙ্গানার মহিলা ও শিশুকল্যাণ দফতরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে তারা।দুটি আলাদা শরীর, কিন্তু মাথাটা জোড়া! যমজ সন্তানের চিকিৎসা খরচ চালাবেন কি করে? জন্মের পর বীণা ও বাণি হাসপাতালে রেখে এসেছিলেন বাবা-মা। ১৩ বছর পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের যত্নেই বেড়ে ওঠে দুই বোন। এরপর তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় সরকারি হোমে। হোমে ওই সংযুক্ত যমজ (Conjoined Twins) পড়ানোর জন্য একজন শিক্ষকও ছিলেন।

এর আগে ২০২০ সালে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষায়ও ভালো ফল করেছিল  বীণা ও বাণি। বোর্ডের পরীক্ষায় শারীরিক প্রতিবন্ধকতার জন্য অতিরিক্ত সময় নিতে রাজি ছিল না তাঁরা। বরং নির্দিষ্ট সময়ের পাঁচ আগেই খাতা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের একসঙ্গে পরীক্ষা দিতে দেওয়ার জন্য তেলেঙ্গানার শিক্ষা দফতরকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বীণা ও বাণি।

এদিকে হাসপাতাল থাকার সময় থেকে দুই বোনকে অস্ত্রোপচার করে আলাদা করার চেষ্টাও করা হয়েছে। কিন্তু  AIIMS-র বিশেষজ্ঞ-সহ চিকিৎসকদের মতে, এই ধরণের অস্ত্রোপচার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকী, আলাদা হওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছে বীণা ও বাণি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সাফল্য, পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল যমজ বোনের | Rknews71

আপডেট : ০৫:০৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২

অনলাইন ডেস্কঃ

পরীক্ষার্থী দু’জন, কিন্তু পরীক্ষা হলে আলাদাভাবে বসানো যাবে না তাঁদের! তেলেঙ্গানা বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ভালো ফল করে তাক লাগিয়ে দিল হায়দরাবাদের সংযুক্ত যমজ (Conjoined Twins) বীণা ও বাণি। জন্ম থেকে তেলেঙ্গানার মহিলা ও শিশুকল্যাণ দফতরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে তারা।দুটি আলাদা শরীর, কিন্তু মাথাটা জোড়া! যমজ সন্তানের চিকিৎসা খরচ চালাবেন কি করে? জন্মের পর বীণা ও বাণি হাসপাতালে রেখে এসেছিলেন বাবা-মা। ১৩ বছর পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের যত্নেই বেড়ে ওঠে দুই বোন। এরপর তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় সরকারি হোমে। হোমে ওই সংযুক্ত যমজ (Conjoined Twins) পড়ানোর জন্য একজন শিক্ষকও ছিলেন।

এর আগে ২০২০ সালে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষায়ও ভালো ফল করেছিল  বীণা ও বাণি। বোর্ডের পরীক্ষায় শারীরিক প্রতিবন্ধকতার জন্য অতিরিক্ত সময় নিতে রাজি ছিল না তাঁরা। বরং নির্দিষ্ট সময়ের পাঁচ আগেই খাতা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের একসঙ্গে পরীক্ষা দিতে দেওয়ার জন্য তেলেঙ্গানার শিক্ষা দফতরকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বীণা ও বাণি।

এদিকে হাসপাতাল থাকার সময় থেকে দুই বোনকে অস্ত্রোপচার করে আলাদা করার চেষ্টাও করা হয়েছে। কিন্তু  AIIMS-র বিশেষজ্ঞ-সহ চিকিৎসকদের মতে, এই ধরণের অস্ত্রোপচার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকী, আলাদা হওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছে বীণা ও বাণি।