ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরের ৭ উপজেলায় ১৭ খাল খননের উদ্যোগ

 

 

চাঁদপুরের জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখা এবং কৃষিতে সেচ সুবিধা বাড়াতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১৭টি খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে জেলার বিভিন্ন এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত বাস্তবায়িতব্য খালের তালিকা অনুযায়ী, চাঁদপুর সদর, হাজীগঞ্জ, হাইমচর, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন খাল এ কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে।
তালিকায় থাকা খালগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ খালটি চাঁদপুর সদর উপজেলার রামদাসদী জমাদ্দার পোল থেকে কমলাপুর সীমানা পর্যন্ত, যার দৈর্ঘ্য ৮ কিলোমিটার। এরপর হাজীগঞ্জের ডাকাতিয়া নদী থেকে সোনাচোঁ খালের সেন্দ্রা সীমানা পর্যন্ত ৭ দশমিক ২০০ কিলোমিটার এবং চাঁদপুর সদরের ঘোষের হাট জমজমিয়া খালের মুখ থেকে সেনগাঁও-মতলব সীমানা পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার খাল রয়েছে।

চাঁদপুর সদরের চারটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে রামদাসদী জমাদ্দার পোল থেকে কমলাপুর সীমানা পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার, ঘোষের হাট জমজমিয়া খালের মুখ থেকে সেনগাঁও-মতলব সীমানা পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার, ভাটেরগাঁও ইচলী বাড়ি থেকে কাজী বাড়ি পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এবং হানারচর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন বেড়িবাঁধ থেকে জিন গাছ হয়ে আবুল বাসার মিজি বাড়ি পর্যন্ত ২ কিলোমিটার রয়েছে।

হাজীগঞ্জে দুটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ৮ দশমিক ৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে ডাকাতিয়া নদী থেকে সোনাচোঁ খালের সেন্দ্রা সীমানা পর্যন্ত ৭ দশমিক ২০০ কিলোমিটার পুনঃখনন এবং হাজীগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে বোয়ালজুরি খাল পর্যন্ত ১ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

হাইমচরে চারটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার। টটম ব্রিজ থেকে চরভাঙ্গা হাইস্কুল হয়ে মুকবুল গাজীর বাড়ি পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার, ডেঞ্জারাস মোড়সংলগ্ন মাতুব্বর ব্রিক ফিল্ড থেকে বর্ডার পুল হয়ে নিয়ন গাজীর বাড়ি পর্যন্ত ২ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার, লিটন পাইকের বাড়ি থেকে স্বপন হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এবং কমলাপুর ছৈয়ালবাড়ি থেকে ছোটলক্ষ্মীপুর দেওয়ান বাড়ি হয়ে ডেলের বাজার পর্যন্ত ১ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার খাল রয়েছে।
মতলব উত্তর উপজেলার দুটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ৫ কিলোমিটার। পুটিয়ারপাড় দক্ষিণপাড়া ভাঙা ব্রিজ থেকে আমিয়াপুর পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এবং মধ্যে লুধুয়া বড় খাল থেকে মিজি বাড়ি পর্যন্ত ২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে।

মতলব দক্ষিণের দুটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার। নায়েরগাঁও বাজারের পাতন সওদাগর বাড়ি থেকে আলিয়ারা খাল পর্যন্ত ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং মতলব আইসিডিডিআরবি থেকে নবকলস খান কফি হাউস খাল পর্যন্ত ১ কিলোমিটার খনন করা হবে।

কচুয়া উপজেলার দুটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার। দরবেশগঞ্জ হাইস্কুল থেকে কাদলা হয়ে বোয়ালাকুড়ি খাল পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এবং সৈয়দপুর থেকে যুগি চাপর পর্যন্ত ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের তালিকায় রয়েছে।

অন্যদিকে ফরিদগঞ্জে পূর্ব জয়শ্রী বীজ থেকে সরকারের বীজ পর্যন্ত, তাম্রশাসন হয়ে আইটপাড়া ও এমবাড়ি খালের পশ্চিম অংশ দিয়ে ০ দশমিক ৩০০ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। তালিকায় এটিকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের অসম্পূর্ণ খাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

খাল খননের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। তবে পরিকল্পনার পাশাপাশি এর বাস্তবায়ন, ব্যয়, কাজের মান ও তদারকি নিয়েও নজরদারি জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

১৭টি খাল খনন ও পুনঃখননে মোট কত টাকা ব্যয় হবে—এখনো তা বিস্তারিতভাবে সামনে আসেনি। কোন সংস্থা বা দপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে, প্রতিটি খালের জন্য পৃথক বরাদ্দ কত, কাজের মেয়াদ কত এবং কোন প্রক্রিয়ায় ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে—এসব তথ্যও জনসম্মুখে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে অতীতে বিভিন্ন এলাকায় খাল খনন ও পুনঃখননের পর অল্প সময়ের মধ্যেই মাটি ভরাট, দখল কিংবা পুনরায় নাব্যতা কমে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। খনন করা মাটি কোথায় ফেলা হবে, খালের নির্ধারিত প্রস্থ ও গভীরতা কত থাকবে এবং কাজ শেষ হওয়ার পর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে কি না—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ শুধু খাল খনন করলেই এর সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে না। খালের দুই পাড় দখলমুক্ত রাখা, পানি প্রবাহের পথ সচল রাখা এবং ভবিষ্যতে পুনরায় ভরাট বা দখল ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৭টি খালের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হলে চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি হতে পারে। পাশাপাশি কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়ার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পরিকল্পনার ১৭টি খাল বাস্তবে কতটা খনন হবে, কাজের মান কেমন হবে এবং খনন শেষে এসব খাল কতদিন সচল থাকবে? এর উত্তর মিলবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে জেলা পুলিশের প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন

চাঁদপুরের ৭ উপজেলায় ১৭ খাল খননের উদ্যোগ

আপডেট : ০৮:১০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

চাঁদপুরের জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখা এবং কৃষিতে সেচ সুবিধা বাড়াতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১৭টি খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে জেলার বিভিন্ন এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত বাস্তবায়িতব্য খালের তালিকা অনুযায়ী, চাঁদপুর সদর, হাজীগঞ্জ, হাইমচর, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন খাল এ কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে।
তালিকায় থাকা খালগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ খালটি চাঁদপুর সদর উপজেলার রামদাসদী জমাদ্দার পোল থেকে কমলাপুর সীমানা পর্যন্ত, যার দৈর্ঘ্য ৮ কিলোমিটার। এরপর হাজীগঞ্জের ডাকাতিয়া নদী থেকে সোনাচোঁ খালের সেন্দ্রা সীমানা পর্যন্ত ৭ দশমিক ২০০ কিলোমিটার এবং চাঁদপুর সদরের ঘোষের হাট জমজমিয়া খালের মুখ থেকে সেনগাঁও-মতলব সীমানা পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার খাল রয়েছে।

চাঁদপুর সদরের চারটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে রামদাসদী জমাদ্দার পোল থেকে কমলাপুর সীমানা পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার, ঘোষের হাট জমজমিয়া খালের মুখ থেকে সেনগাঁও-মতলব সীমানা পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার, ভাটেরগাঁও ইচলী বাড়ি থেকে কাজী বাড়ি পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এবং হানারচর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন বেড়িবাঁধ থেকে জিন গাছ হয়ে আবুল বাসার মিজি বাড়ি পর্যন্ত ২ কিলোমিটার রয়েছে।

হাজীগঞ্জে দুটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ৮ দশমিক ৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে ডাকাতিয়া নদী থেকে সোনাচোঁ খালের সেন্দ্রা সীমানা পর্যন্ত ৭ দশমিক ২০০ কিলোমিটার পুনঃখনন এবং হাজীগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে বোয়ালজুরি খাল পর্যন্ত ১ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

হাইমচরে চারটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার। টটম ব্রিজ থেকে চরভাঙ্গা হাইস্কুল হয়ে মুকবুল গাজীর বাড়ি পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার, ডেঞ্জারাস মোড়সংলগ্ন মাতুব্বর ব্রিক ফিল্ড থেকে বর্ডার পুল হয়ে নিয়ন গাজীর বাড়ি পর্যন্ত ২ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার, লিটন পাইকের বাড়ি থেকে স্বপন হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এবং কমলাপুর ছৈয়ালবাড়ি থেকে ছোটলক্ষ্মীপুর দেওয়ান বাড়ি হয়ে ডেলের বাজার পর্যন্ত ১ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার খাল রয়েছে।
মতলব উত্তর উপজেলার দুটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ৫ কিলোমিটার। পুটিয়ারপাড় দক্ষিণপাড়া ভাঙা ব্রিজ থেকে আমিয়াপুর পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এবং মধ্যে লুধুয়া বড় খাল থেকে মিজি বাড়ি পর্যন্ত ২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে।

মতলব দক্ষিণের দুটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার। নায়েরগাঁও বাজারের পাতন সওদাগর বাড়ি থেকে আলিয়ারা খাল পর্যন্ত ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং মতলব আইসিডিডিআরবি থেকে নবকলস খান কফি হাউস খাল পর্যন্ত ১ কিলোমিটার খনন করা হবে।

কচুয়া উপজেলার দুটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার। দরবেশগঞ্জ হাইস্কুল থেকে কাদলা হয়ে বোয়ালাকুড়ি খাল পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এবং সৈয়দপুর থেকে যুগি চাপর পর্যন্ত ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের তালিকায় রয়েছে।

অন্যদিকে ফরিদগঞ্জে পূর্ব জয়শ্রী বীজ থেকে সরকারের বীজ পর্যন্ত, তাম্রশাসন হয়ে আইটপাড়া ও এমবাড়ি খালের পশ্চিম অংশ দিয়ে ০ দশমিক ৩০০ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। তালিকায় এটিকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের অসম্পূর্ণ খাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

খাল খননের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। তবে পরিকল্পনার পাশাপাশি এর বাস্তবায়ন, ব্যয়, কাজের মান ও তদারকি নিয়েও নজরদারি জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

১৭টি খাল খনন ও পুনঃখননে মোট কত টাকা ব্যয় হবে—এখনো তা বিস্তারিতভাবে সামনে আসেনি। কোন সংস্থা বা দপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে, প্রতিটি খালের জন্য পৃথক বরাদ্দ কত, কাজের মেয়াদ কত এবং কোন প্রক্রিয়ায় ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে—এসব তথ্যও জনসম্মুখে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে অতীতে বিভিন্ন এলাকায় খাল খনন ও পুনঃখননের পর অল্প সময়ের মধ্যেই মাটি ভরাট, দখল কিংবা পুনরায় নাব্যতা কমে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। খনন করা মাটি কোথায় ফেলা হবে, খালের নির্ধারিত প্রস্থ ও গভীরতা কত থাকবে এবং কাজ শেষ হওয়ার পর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে কি না—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ শুধু খাল খনন করলেই এর সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে না। খালের দুই পাড় দখলমুক্ত রাখা, পানি প্রবাহের পথ সচল রাখা এবং ভবিষ্যতে পুনরায় ভরাট বা দখল ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৭টি খালের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হলে চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি হতে পারে। পাশাপাশি কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়ার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পরিকল্পনার ১৭টি খাল বাস্তবে কতটা খনন হবে, কাজের মান কেমন হবে এবং খনন শেষে এসব খাল কতদিন সচল থাকবে? এর উত্তর মিলবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরই।