জসিম উদ্দিন, ফরিদগঞ্জ:
শ্রাবনের প্রথম দিনেও সূর্যের তাপদাহে পুড়ছে সারা দেশ। সারা দেশের ন্যায় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ও গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রার তেজষ্ক্রিয়তা যেন বাড়ছে, হু হু করে। সেই সাথে বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি। তৃষ্ণায় কাতর মানুষ। প্রচণ্ড তাপদাহে ও ভ্যাবসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। বাড়ছে রোগবালাই। গরম বাতাস শরীরে লাগছে আগুনের হল্কার মতো। তবে আশার কথা হলো দুই এক দিনের মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে, কমতে পারে তাপদাহ। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না এতটুকুও। পথে-ঘাটে নেই প্রশান্তির আবেশ। ভ্যাপসা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে শিশু ও বয়স্করা।
অসহ্য ভ্যাপসা গরমে মানুষের প্রাণ প্রায় ওষ্ঠাগত। আগুনের হল্কার মতো গরম বাতাসে যেন ঝলছে যাচ্ছে নাগরিক জীবন। এ গরম উপেক্ষা করার উপায় নেই। তাই কিছুটা শীতল হতে মানুষ ঝুঁকছে রাস্তার পাশে বিক্রি করা বরফ দেয়া লেবুর শরবত এর দিকে।বেড়েছে আইসক্রিম ও ফ্রিজারের ঠান্ডা পানীয়ের চাহিদা। তাপদাহে সবচেয়ে বেশি বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ।
সূর্যের তীব্রতায় গেল কয়েকদিন ধরে বেড়েই চলেছে তাপমাত্রা। অসহনীয় গরমে রীতিমতো প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার যোগাড়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির জন্য খতমেসাফা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ার কারণে কৃষকদের ও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আষাঢ় – শ্রাবণ এ সময়ে ধানের বীজ বুনার উপযুক্ত সময়। কিন্তু পানির অভাবে সময়মতো অনেকেই বীজ বুনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।




















