ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ, সম্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৬নং গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের লাউতলী গ্রামের জানপাড় বাড়ির সামনে একটি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির মালিকানা ও দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিটি সিএস খতিয়ান-৫৫-এর ২৫৩ নম্বর দাগে, যার পরিমাণ ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। সম্পত্তির মালিকানা ও দখল নিয়ে এরই মধ্যে কয়েক দফা শালিশি বৈঠক হলেও বিষয়টির চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।
অভিযোগকারী ছৈয়দ আহমেদ দাবি করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছেন এবং এটি তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। তার অভিযোগ, গত ২৫ সেপ্টেম্বর তার ভাইয়ের ছেলে আবুল হোসেনসহ ১৫-২০ জন লোক সেখানে গিয়ে দোকানটি ভাঙচুর করেন। পরে দোকানের টিন ও আসবাবপত্র পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়।
ছৈয়দ আহমেদের ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তিনি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে সমাধানের দাবি জানান।
তবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রতিপক্ষ আবুল হোসেন। তার দাবি, ওই সম্পত্তি তাদের পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি। দীর্ঘদিন ধরে অপর পক্ষ সেটি দখল করে রেখেছে। এ নিয়ে একাধিকবার শালিশি বৈঠক হয়েছে এবং তাদের এক মাস সময় দেওয়া হলেও তারা দখল ছাড়েননি।
সম্পত্তির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি শান্তিপূর্ণ ও আইনগতভাবে নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ, সম্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ

ফরিদগঞ্জে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ, সম্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ

আপডেট : ০৯:১৮:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৬নং গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের লাউতলী গ্রামের জানপাড় বাড়ির সামনে একটি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির মালিকানা ও দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিটি সিএস খতিয়ান-৫৫-এর ২৫৩ নম্বর দাগে, যার পরিমাণ ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। সম্পত্তির মালিকানা ও দখল নিয়ে এরই মধ্যে কয়েক দফা শালিশি বৈঠক হলেও বিষয়টির চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।
অভিযোগকারী ছৈয়দ আহমেদ দাবি করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছেন এবং এটি তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। তার অভিযোগ, গত ২৫ সেপ্টেম্বর তার ভাইয়ের ছেলে আবুল হোসেনসহ ১৫-২০ জন লোক সেখানে গিয়ে দোকানটি ভাঙচুর করেন। পরে দোকানের টিন ও আসবাবপত্র পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়।
ছৈয়দ আহমেদের ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তিনি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে সমাধানের দাবি জানান।
তবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রতিপক্ষ আবুল হোসেন। তার দাবি, ওই সম্পত্তি তাদের পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি। দীর্ঘদিন ধরে অপর পক্ষ সেটি দখল করে রেখেছে। এ নিয়ে একাধিকবার শালিশি বৈঠক হয়েছে এবং তাদের এক মাস সময় দেওয়া হলেও তারা দখল ছাড়েননি।
সম্পত্তির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি শান্তিপূর্ণ ও আইনগতভাবে নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।