ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জের কংগাইশ গ্রামে কয়েক শতাধিক পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি – Rknews71

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০১:৩৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২
  • 167
খন্দকার আরিফ :
হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন কংগাইশ গ্রামে কয়েক শতাধিক পরিবারের চলাচলের পথ রাখায় গৃহবন্ধি হয়ে পড়েছেন পরিবারগুলো।  ভুক্তভোগীরা পৌর মেয়র এবং স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কংগাইশ আটিয়া বাড়ীর ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের হাফেজের ছোট ভাই মো. আ. করিম আটিয়ার ঘরসহ কয়েকটি বসতঘর গৃহবন্দি হয়ে আছে।
আ. করিম আটিয়ার প্রথম স্ত্রী রশিদা বেগমের নামে ৪২ শতাংশ ভূমি ও ২য় স্ত্রী সামছুন্নাহারকে ১৮ শতাংশ ভূমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়। ১৯৯৩ সালে দ্বিতীয় স্ত্রী ও সন্তানের জন্য ঘর করে দেওয়ার পর চলাচলের জন্য পূর্ব পশ্চিমে ২ ফুট করে রাস্তা রাখা হয়। সেই পথ দিয়ে পাশ্ববর্তী মোল্লা বাড়ী, মিজি বাড়ী,  বেপারী বাড়ি, পুরাতন আটিয়া বাড়ীর প্রায় শতাধিক পরিবারের লোকজন এই পথ ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু হঠাৎ করে আ. করিমের প্রথম  ঘরের সন্তানরা ৩০ বছরের চলাচলের রাস্তার পথ বন্ধ করে দেয়। এতে বৃদ্ধ আ. করিম ও তার ২য় স্ত্রী সন্তানসহ পাশ্ববর্তী কয়েকটি পরিবার গৃহবন্দী হয়ে পড়ে।
আ. করিমের স্ত্রী শামছুন্নাহার বলেন, আমাদের পরিবারে বর্তমানে সদস্য ৯ জন। আমরা বাড়ীর কবরস্থানের পাশে এক কোণে পড়ে আছি। চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাময়িক কবরস্থানের উপর দিয়ে চলাচল করতে হয়। আমরা এখান থেকে পরিত্রাণ চাই।
স্কুল শিক্ষার্থী মারজান আক্তার, আফসানা ও সিয়াম বলেন, স্কুলে যাওয়ার জন্য কোন পথ নেই। যে পথে যেতাম তা বেড়া দিয়ে রেখেছে।
আ. করিম বলেন, ৩০ বছর ধরে কবরস্থানের পাশে এই বসতঘর গড়ে উঠেছে। ১৯৯৩ ও পরবর্তী ২০০৮ সালের গ্রাম্য শালিসী বৈঠকের সিদ্ধান্ত অমান্য করে আমার প্রথম ঘরের অবাধ্য সন্তানরা আমাকেসহ পুরো পরিবারের চলাচলের পথে বাধাঁ হয়ে দাড়িয়েছে।
তিনি আরো বলেন, প্রতিপক্ষের ১নং সালিশদার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা কামালের নির্দেশে এই পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। যে কারনে বিকল্প পথ হিসেবে ঘরের দক্ষিন পাশে কবরস্থানের উপর চলাচল করতে গিয়ে সেই পথটি দিয়েও দেওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। যে কারনে আমরা পুরোপুরি গৃহবন্দি হয়ে পড়েছি।
পাশ্ববর্তী ঘরের বাসিন্ধা কামরুন্নাহার বলেন, আমরা পূর্বে থেকে এ পথ দিয়ে চলাচল করে আসতাম। কিন্তু হঠাৎ করে পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কয়েক বাড়ীর লোকজন দুর্ভোগে পড়েছে। আমরা বিষয়টির সমাধান চাই।
এ বিষয়ে স্থানীয় ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদ হোসেন মজুমদার বলেন, আমার কাছে এখনো কেউ আসেনি, তার পরেও জনগনের চলাচলের পথের কথা শুনে বিষয়টি নজরে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করবো।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

হাজীগঞ্জের কংগাইশ গ্রামে কয়েক শতাধিক পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি – Rknews71

আপডেট : ০১:৩৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২
খন্দকার আরিফ :
হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন কংগাইশ গ্রামে কয়েক শতাধিক পরিবারের চলাচলের পথ রাখায় গৃহবন্ধি হয়ে পড়েছেন পরিবারগুলো।  ভুক্তভোগীরা পৌর মেয়র এবং স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কংগাইশ আটিয়া বাড়ীর ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের হাফেজের ছোট ভাই মো. আ. করিম আটিয়ার ঘরসহ কয়েকটি বসতঘর গৃহবন্দি হয়ে আছে।
আ. করিম আটিয়ার প্রথম স্ত্রী রশিদা বেগমের নামে ৪২ শতাংশ ভূমি ও ২য় স্ত্রী সামছুন্নাহারকে ১৮ শতাংশ ভূমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়। ১৯৯৩ সালে দ্বিতীয় স্ত্রী ও সন্তানের জন্য ঘর করে দেওয়ার পর চলাচলের জন্য পূর্ব পশ্চিমে ২ ফুট করে রাস্তা রাখা হয়। সেই পথ দিয়ে পাশ্ববর্তী মোল্লা বাড়ী, মিজি বাড়ী,  বেপারী বাড়ি, পুরাতন আটিয়া বাড়ীর প্রায় শতাধিক পরিবারের লোকজন এই পথ ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু হঠাৎ করে আ. করিমের প্রথম  ঘরের সন্তানরা ৩০ বছরের চলাচলের রাস্তার পথ বন্ধ করে দেয়। এতে বৃদ্ধ আ. করিম ও তার ২য় স্ত্রী সন্তানসহ পাশ্ববর্তী কয়েকটি পরিবার গৃহবন্দী হয়ে পড়ে।
আ. করিমের স্ত্রী শামছুন্নাহার বলেন, আমাদের পরিবারে বর্তমানে সদস্য ৯ জন। আমরা বাড়ীর কবরস্থানের পাশে এক কোণে পড়ে আছি। চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাময়িক কবরস্থানের উপর দিয়ে চলাচল করতে হয়। আমরা এখান থেকে পরিত্রাণ চাই।
স্কুল শিক্ষার্থী মারজান আক্তার, আফসানা ও সিয়াম বলেন, স্কুলে যাওয়ার জন্য কোন পথ নেই। যে পথে যেতাম তা বেড়া দিয়ে রেখেছে।
আ. করিম বলেন, ৩০ বছর ধরে কবরস্থানের পাশে এই বসতঘর গড়ে উঠেছে। ১৯৯৩ ও পরবর্তী ২০০৮ সালের গ্রাম্য শালিসী বৈঠকের সিদ্ধান্ত অমান্য করে আমার প্রথম ঘরের অবাধ্য সন্তানরা আমাকেসহ পুরো পরিবারের চলাচলের পথে বাধাঁ হয়ে দাড়িয়েছে।
তিনি আরো বলেন, প্রতিপক্ষের ১নং সালিশদার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা কামালের নির্দেশে এই পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। যে কারনে বিকল্প পথ হিসেবে ঘরের দক্ষিন পাশে কবরস্থানের উপর চলাচল করতে গিয়ে সেই পথটি দিয়েও দেওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। যে কারনে আমরা পুরোপুরি গৃহবন্দি হয়ে পড়েছি।
পাশ্ববর্তী ঘরের বাসিন্ধা কামরুন্নাহার বলেন, আমরা পূর্বে থেকে এ পথ দিয়ে চলাচল করে আসতাম। কিন্তু হঠাৎ করে পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কয়েক বাড়ীর লোকজন দুর্ভোগে পড়েছে। আমরা বিষয়টির সমাধান চাই।
এ বিষয়ে স্থানীয় ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদ হোসেন মজুমদার বলেন, আমার কাছে এখনো কেউ আসেনি, তার পরেও জনগনের চলাচলের পথের কথা শুনে বিষয়টি নজরে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করবো।