কবির আহমেদ / শাখাওয়াত হোসেন শামীমঃ
চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জে সরকারি সড়কের পাশে জোর করে বাঁশ-গাছের ডালের বেড়া দিয়ে বন্ধ করা হয়েছে প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলমের নতুন বাড়ির চলাচলের পথ।
এই ঘটনাটি হাজীগঞ্জ উপজেলাধীন ৪ নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের নাওহাটা গ্রামের হামিদ আলী মিয়াজি বাড়ি সংলগ্ন সড়কের পাশে।
এ ঘটনায় প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম স্থানীয় চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপনের
কাছে গিয়েও মিলছে না কোনো সমাধান।
অনুসন্ধানে সরজমিনে গিয়ে জানাযায় ,উপজেলার ৪ নং কালচোঁ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের নাওহাটা এলাকার হামিদ আলী
মিজি বাড়ির জাহাঙ্গীর আলম মিজি ক্রয় করা ও পৈত্রিক জমিতে নতুন বাড়ি করার কাজ শুরু করে।
এবিষয়ে ভোক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বলেন,একই গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির মজিবের ছেলে ইব্রাহীম সরকারি সড়কের পাশে জোর করে বাঁশ-গাছের ডালের বেড়া দিয়ে আমার বাড়ির চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয়।
প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম জানান,আমি এ জমি ক্রয় করে নতুন বাড়ি করার কাজ শুরু করি।পাটওয়ারী বাড়ির মজিবের ছেলে
ইব্রাহীম জোর করে সরকারি রাস্তার পাশে বাঁশ-গাছের ডালের বেড়া দিয়ে যাতায়াত পথ বন্ধ করে দেয়। রাস্তা হল সরকারের কিন্তু ইব্রাহীম কার সহযোগীতায় সরকারি রাস্তায় বেড়া দেয় এটা আমার প্রশ্ন প্রশাসনের কাছে? সরকারি রাস্তা দিয়ে আমাকে চলাচল করতে দিবে না। ইব্রাহীম গংরা আমাকে বিভিন্ন হুমকি-ধুমকি দিয়ে আসছে। এখন আমি কি করবো কোথায় যাবো। এমতা
অবস্থায় আমি কি ভাবে বাড়ি করার জিনিসপত্র নেবো। এ বিষয়ে আমি ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।
স্থানীয়রা জানান,আমরা এই রাস্তা দিয়ে প্রায় শত বছর যাবত চলাচল করে আসছি। রাস্তার মালিকানা দাবি করা পাটওয়ারী বাড়ির মজিবের ছেলে ইব্রাহীম সরকারি রাস্তার পাশে জোর করে বাঁশ-গাছের ডালের বেড়া দিলে চলাচল পথ বন্ধ করে দেয়। সে কোন খুটির জোরে এই সরকারি জায়গার রাস্তা বন্ধ করেছে আমরা বুঝিনা।
তারা আরও বলেন, তারা আমাদের কোনো কথাই শুনছে না। আমরা দ্রুত সরকারি রাস্তা পাশে জাহাঙ্গীর আলমের ক্রয় করা জায়গা চলাচলের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
৪নং কালচোঁ ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এ বিষয়ে আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সরজমিন গিয়ে দেখেছি,
এটা সরকারি রাস্তার পাশে জাহাঙ্গীর আলমের ক্রয় করা জায়গা ও সরকারি হালট।
তারপরও মজিব গংদের সাথে কথা বলছি কিন্তু তারা বলতেছে তাদের জায়গা।
বিষয়টি দুই পক্ষের সাথে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।
রাস্তার পাশে বেড়া দেওয়া মজিব পাটওয়ারী জানান,এই জায়গা আমাদের পাটওয়ারী বাড়ির পারিবারিক।
আর এই জায়গা পশ্চিম পাশের পাটওয়ারী বাড়ির সম্পদ,জাহাঙ্গীর পূর্ব পাশে অংশীদার,সে কি ভাবে এই জায়গা ব্যবহার করবে।
এক প্রশ্ন জাবাবে মজিবের ছেলে মোঃ ইব্রাহিম বলেন,আমার জন্মের পর থেকে দেখেছি এই জায়গা নাওহাটা গ্রামের পাটওয়ারীরা পূর্ব থেকেই ভোগ-দখল করে আসতেছি। আমি এই জায়গা বেড়া দেইনি,এখানে সবজি গাছ লাগিয়েছি।




















