ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ’র আগুনে পুড়লো ১০ বসতঘরের নগদ অর্থসহ কোটি টাকার আসবাবপত্র 

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৫:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩
  • 72
খন্দকার আরিফ :
হাজীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ এর আগুন থেকে ১০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে প্রায় কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে। এলাকায় থেকে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে জানানোর পরেও তারা প্রায় পৌনে ১ ঘন্টা পর ঘটনাস্থলে পৌছেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। ঘটনাটি সোমবার (১৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার ৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়নের পিরোজপুর জলিল মুন্সী বাড়িতে ঘটেছে।
জানা যায়, ওই বাড়ির তাজুল ইসলামের ছেলে মোফাজ্জল মুন্সীর বসতঘরের পাশে পল্লী বিদ্যুৎ’র খুঁটি থেকে আগুনের এই সূত্রপাত ঘটে। এতে মোফাজ্জল মুন্সীর ঘরে ছড়িয়ে পড়লে মূহুর্তের মধ্য একেক করে পার্শবর্তী ঘরগুলোতে আগুন ছড়িয়ে যায়। মূহুর্তেই সবগুলো ঘর পুড়ে যায়। এতে কোটি টাকার উপরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করার প্রায় পৌনে ১ ঘন্টায় ঘটনাস্থলে পৌছেছেন। তারা এসে বসতঘরের কয়লার আগুন নিভৃত করেছেন। তবে ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ষ্টেশন অফিসার তাদের অভিযোগ সম্পন্ন উড়িয়ে দিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্য মোফাজ্জল মুন্সীর নগদ ৫ লাখ টাকাসহ ঘরের সকল আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। এই আগুনে ফজলুল হকের ২ লাখ ১২ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ও তার ছেলে শাহপরানের বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙ্গে গেছে। তার ভিসা ও পাসপোর্ট পুড়ে যায়। এতে এই পরিবারের প্রায় ১২ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মোফাজ্জল মুন্সীর ভাই কুদ্দুছ মুন্সীর বসতঘরের আসবাবপত্র এবং নগদ ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও ১টি ষাঁড় গরু পুড়ে যায় এবং মোয়াজ্জেম মুন্সী, শুক্কুর আলম, খোরশেদ আলন, জহির, জুলহাস, রবিউল ও আবু সুফিয়ানের বসতঘর পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মেহেদী হাছান মানিক ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকদের মাঝে জনপ্রতি নগদ ৬ হাজার টাকা, ১৫ কেজি করে শুকনো খাবার ও দুইটি কম্বল বিতরণ করেন। তিনি কয়েকদিনের মধ্য সরকারের ত্রান তহবিল থেকে তাদের মাঝে ঢেউটিন পৌছে দিবেন। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মিয়াজী ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. মানিক হোসেন প্রধানীয়া। এসময় হেলাল উদ্দিন মিয়াজী ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ অর্থ প্রদান করেন।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মিয়াজী বলেন, তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ অর্থ সহায়তায় করেছি। পরবর্তীতে সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকবেন বলে তিনি আমার মাধ্যমে তাদের আশ্বস্ত করেছেন।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

হাজীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ’র আগুনে পুড়লো ১০ বসতঘরের নগদ অর্থসহ কোটি টাকার আসবাবপত্র 

আপডেট : ০৫:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩
খন্দকার আরিফ :
হাজীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ এর আগুন থেকে ১০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে প্রায় কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে। এলাকায় থেকে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে জানানোর পরেও তারা প্রায় পৌনে ১ ঘন্টা পর ঘটনাস্থলে পৌছেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। ঘটনাটি সোমবার (১৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার ৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়নের পিরোজপুর জলিল মুন্সী বাড়িতে ঘটেছে।
জানা যায়, ওই বাড়ির তাজুল ইসলামের ছেলে মোফাজ্জল মুন্সীর বসতঘরের পাশে পল্লী বিদ্যুৎ’র খুঁটি থেকে আগুনের এই সূত্রপাত ঘটে। এতে মোফাজ্জল মুন্সীর ঘরে ছড়িয়ে পড়লে মূহুর্তের মধ্য একেক করে পার্শবর্তী ঘরগুলোতে আগুন ছড়িয়ে যায়। মূহুর্তেই সবগুলো ঘর পুড়ে যায়। এতে কোটি টাকার উপরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করার প্রায় পৌনে ১ ঘন্টায় ঘটনাস্থলে পৌছেছেন। তারা এসে বসতঘরের কয়লার আগুন নিভৃত করেছেন। তবে ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ষ্টেশন অফিসার তাদের অভিযোগ সম্পন্ন উড়িয়ে দিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্য মোফাজ্জল মুন্সীর নগদ ৫ লাখ টাকাসহ ঘরের সকল আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। এই আগুনে ফজলুল হকের ২ লাখ ১২ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ও তার ছেলে শাহপরানের বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙ্গে গেছে। তার ভিসা ও পাসপোর্ট পুড়ে যায়। এতে এই পরিবারের প্রায় ১২ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মোফাজ্জল মুন্সীর ভাই কুদ্দুছ মুন্সীর বসতঘরের আসবাবপত্র এবং নগদ ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও ১টি ষাঁড় গরু পুড়ে যায় এবং মোয়াজ্জেম মুন্সী, শুক্কুর আলম, খোরশেদ আলন, জহির, জুলহাস, রবিউল ও আবু সুফিয়ানের বসতঘর পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মেহেদী হাছান মানিক ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকদের মাঝে জনপ্রতি নগদ ৬ হাজার টাকা, ১৫ কেজি করে শুকনো খাবার ও দুইটি কম্বল বিতরণ করেন। তিনি কয়েকদিনের মধ্য সরকারের ত্রান তহবিল থেকে তাদের মাঝে ঢেউটিন পৌছে দিবেন। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মিয়াজী ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. মানিক হোসেন প্রধানীয়া। এসময় হেলাল উদ্দিন মিয়াজী ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ অর্থ প্রদান করেন।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মিয়াজী বলেন, তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ অর্থ সহায়তায় করেছি। পরবর্তীতে সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকবেন বলে তিনি আমার মাধ্যমে তাদের আশ্বস্ত করেছেন।