ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি  

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:৫১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩
  • 51

শাখাওয়াত হোসেন শামীম:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার রান্ধুনীমুড়া, আড়াখাল ও ৬ নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের রায়চোঁ গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৭ মার্চ) বিকালে ৩ টার দিকে এই কালবৈশাখ ঝড়ে ২০ টি বসতঘর ও তিনটি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
 ওইসময় শতাধিক গাছপালা ভেঙে পড়ে যায়।যানবাহন চলাচল ও বৈদ্যুতিক সংযোগসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মসজিদগুলো হলো রান্ধুনীমুড়ার মমতাজ উদ্দিন হাজী বাড়ীর জামে মসজিদ, লাল মিয়া জামে মসজিদ ও বড় বাড়ীর মঠ মসজিদ।রায়চোঁ, রান্ধুনীমুড়া ও আড়াখাল গ্রামের ধীরেন্দ্র সাহা বাড়ীর জয়দেব, কে আর সাহা, দুলা মিয়া বেপারী বাড়ীর মোস্তফা মিয়া ও আলী আকবর, বঞ্জের বাড়ীর সোহেল, জমিরা বাড়ীর শুকুর আলী। রান্ধুনীমুড়া গ্রামের সুমন ও দাইমুদ্দিনসহ প্রায় ২০ টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পৌর কাউন্সিলর শাহ আলম ও রায়চোঁ গ্রামের ইউপি সদস্য আবদুর রশিদ বলেন, মাত্র ৫ মিনিটের ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়ে প্রায় ২০ টি বসতঘর তছনছ হয়। তবে ওই সময় কেউ হতাহত হয়নি।ঝড়ের তাণ্ডবে অনেক ঘরের টিন কৃষি জমিতে এমনকি গাছের ডালে আছড়ে পরে।
ভেঙে পরে কয়েক সহস্রাধিক গাছগাছালি। বিভিন্ন ইউনিয়নে গাছগাছালি ভেঙে ঘরের উপর ও রাস্তায় আছড়ে পড়ে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ।
হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাজেদুল কবির জোয়ার্দার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভেঙে পড়া গাছপালা সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জের নিখোঁজ দুলালকে পাওয়া গেছে: পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি

হাজীগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি  

আপডেট : ০৯:৫১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

শাখাওয়াত হোসেন শামীম:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার রান্ধুনীমুড়া, আড়াখাল ও ৬ নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের রায়চোঁ গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৭ মার্চ) বিকালে ৩ টার দিকে এই কালবৈশাখ ঝড়ে ২০ টি বসতঘর ও তিনটি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
 ওইসময় শতাধিক গাছপালা ভেঙে পড়ে যায়।যানবাহন চলাচল ও বৈদ্যুতিক সংযোগসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মসজিদগুলো হলো রান্ধুনীমুড়ার মমতাজ উদ্দিন হাজী বাড়ীর জামে মসজিদ, লাল মিয়া জামে মসজিদ ও বড় বাড়ীর মঠ মসজিদ।রায়চোঁ, রান্ধুনীমুড়া ও আড়াখাল গ্রামের ধীরেন্দ্র সাহা বাড়ীর জয়দেব, কে আর সাহা, দুলা মিয়া বেপারী বাড়ীর মোস্তফা মিয়া ও আলী আকবর, বঞ্জের বাড়ীর সোহেল, জমিরা বাড়ীর শুকুর আলী। রান্ধুনীমুড়া গ্রামের সুমন ও দাইমুদ্দিনসহ প্রায় ২০ টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পৌর কাউন্সিলর শাহ আলম ও রায়চোঁ গ্রামের ইউপি সদস্য আবদুর রশিদ বলেন, মাত্র ৫ মিনিটের ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়ে প্রায় ২০ টি বসতঘর তছনছ হয়। তবে ওই সময় কেউ হতাহত হয়নি।ঝড়ের তাণ্ডবে অনেক ঘরের টিন কৃষি জমিতে এমনকি গাছের ডালে আছড়ে পরে।
ভেঙে পরে কয়েক সহস্রাধিক গাছগাছালি। বিভিন্ন ইউনিয়নে গাছগাছালি ভেঙে ঘরের উপর ও রাস্তায় আছড়ে পড়ে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ।
হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাজেদুল কবির জোয়ার্দার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভেঙে পড়া গাছপালা সরিয়ে দেয়া হয়েছে।