মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্:
ভোটার তালিকা হালনাগাদ না হলে আগামি ৩১ মে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তা ব্যবসায়ীরা প্রতিহত করবে। এ েেত্র যদি আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়, তার দায়-দায়িত্ব তাদেরকে (নির্বাচন কমিশন) বহন করতে হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আসন্ন হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতি নির্বাচনের সভাপতি প্রার্থী ও সাবেক সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্য রোটা. আহসান হাবিব অরুন।
শুক্রবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় বাজারস্থ স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির প্রার্থীদের একাংশের পক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের মন-মতো কাজ করতে পারছেনা। পেছনে একটা শক্তি নির্বাচন নিয়ে খেলছেন।
নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে রোটা. আহসান হাবিব অরুন বলেন, আমরা (প্রার্থীরা) মনোনয়নপত্র কিনার (সংগ্রহ) পর যে ভোটার তালিকা পেয়েছি, সেই তালিকায় অনুযায়ী ৭/৮’শ ভোটারের সাথে আমরা দেখা করতে পারি নাই। এসব ভোটারের অস্তিত্ব নেই এবং আমরা তাদেরকে খুঁজে পাই নাই। এ বিষয়ে আমরা আপনাদের জানিয়েছি। আপনারা আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাই করবেন।
অথচ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন না করেই আপনারা প্রার্থীদের প্রতীক দিবেন। প্রতীক পাওয়ার প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাবে। এখন আপনারাই বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ না হলে তারা এসব ভোটারদের কোথায় খুঁজবে। কার কাছে যাবে। তাই, আগামিকাল প্রতীক বরাদ্দ না দিয়ে আপনারা সময় করে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করুন। তারপর প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। এতে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবে।
রোটা. আহসান হাবিব অরুন নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, যদি এই অবৈধ ভোটার দিয়ে আপনারা নির্বাচন করতে চান, তাহলে আপনারা এ নির্বাচন করতে পারবেন না। এই ব্যবসায়ীরা নির্বাচন প্রতিহত করবে। ৩১ তারিখ নির্বাচন হবে না। বাজারের অরজিনাল ব্যবসায়ীরা এ খেলার নির্বাচন চায় না। সকল ব্যবসায়ীদের প্রাণের দাবি, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেন। তারপর নির্বাচন দিন।
এ বিষয়ে আমরা সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনকে দরখাস্ত দিয়েছি। কিন্তু দরখাস্তের কোন সুরাহা না পেয়ে আজকে আমরা সংবাদ সম্মেলন করছি, ব্যবসায়ীদের জানাচ্ছি। যদি এর সুরাহা না হয়, ভোটার তালিকা হালনাগাদ না হয় তাহলে ৩১ তারিখে হাজীগঞ্জে কোন নির্বাচন হবে না। যদি এখানে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়, তার দায়-দায়িত্ব ওনাদের।
এর আগে বক্তব্য রাখেন, নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. আলী নেওয়াজ রোমান ও এবায়েদুর রহমান খোকন। তারাও একই অভিযোগ করেন এবং ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহবান জানান। এ সময় সহ-সভাপতি প্রার্থী হাজী মো. ওমর ফারুক সর্দার, সাধারন সম্পাদক প্রার্থী মো. জাকির হোসেন মিন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শেখ তোফায়েল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী আবু হেনা বাবলু, মো. শহীদুল্লাহ্ ও ফয়সাল পাটওয়ারী, কোষাধ্য প্রার্থী মো. হারুন অর রশিদ, দপ্তর সম্পাদক প্রার্থী মোরশেদ আলম ও আরিফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান আখতার ও কাউছার আহমেদ, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী ইউছুফ পাটওয়ারীসহ অন্যান্য সম্পাদকীয় ও কমিশনার প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী জসিম উদ্দিন, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন মোহন, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জাকির হোসেন সোহেল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফরিদুল ইসলাম, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল আলম বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাব্বিসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




















