ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লেজার মেশিনে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১২:১৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৩
  • 62

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে লেজার মেশিনে ৩ বছর বয়সী এক শিশুর সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ পুড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চিকিৎসকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন শিশুর না

গত সোমবার (৩১ জুলাই) বিকেলে রামগঞ্জ ইসলামিয়া হাসপাতালের (প্রাইভেট) ডিএমএফ চিকিৎসক ডাক্তার মো. সরোয়ার হোসেন, হসপিটালের পরিচালক সাইফুল্লাহ মানিক, রবিউল আলম রিয়াজ ও ডাক্তারের সহযোগী আবদুল্লাহ আল মাহমুদকে আসামি করে এ মামলা করা হয়।
শিশু মাহাদির নানা আনোয়ার হোসেন জানান, তাঁর নাতিকে সুন্নতে খতনা করানোর জন্য গত ৩১ মে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রামগঞ্জ শিশুপার্ক সংলগ্ন রামগঞ্জ ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দুপুরে উল্লেখিত চিকিৎসক ও তার সহযোগীরা লেজার মেশিনে শিশুটির মুসলমানি করানোর জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়।

আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কিছুক্ষণ পর আমার নাতির আর্তচিৎকারে ভেসে আসলে আমরা বিচলিত হয়ে পড়ি। আমরা দ্রুত বিষয়টি জানার জন্য অপারেশন থিয়েটারে গিয়ে দেখি নাতির পুরুষাঙ্গ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ওই দিনই নাতিকে নোয়াখালীর ডাক্তার ট্রাস্ট ওয়ান হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ৩ দিন পর ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। নাতি অদ্যাবধি সেখানেই ভর্তি রয়েছে।’

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, ইলেকট্রিক মেশিনের অতিরিক্ত তাপের কারণে তার পুরুষাঙ্গ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ‘স্থানীয় কিছু লোকজন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের জন্য চাপ দিচ্ছে। এদিকে নাতি হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে। আমরা তার চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। পরে সোমবার আদালতে মামলা করেছি। এ ঘটনার উচিত বিচার চাই।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

লেজার মেশিনে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

আপডেট : ১২:১৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৩

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে লেজার মেশিনে ৩ বছর বয়সী এক শিশুর সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ পুড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চিকিৎসকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন শিশুর না

গত সোমবার (৩১ জুলাই) বিকেলে রামগঞ্জ ইসলামিয়া হাসপাতালের (প্রাইভেট) ডিএমএফ চিকিৎসক ডাক্তার মো. সরোয়ার হোসেন, হসপিটালের পরিচালক সাইফুল্লাহ মানিক, রবিউল আলম রিয়াজ ও ডাক্তারের সহযোগী আবদুল্লাহ আল মাহমুদকে আসামি করে এ মামলা করা হয়।
শিশু মাহাদির নানা আনোয়ার হোসেন জানান, তাঁর নাতিকে সুন্নতে খতনা করানোর জন্য গত ৩১ মে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রামগঞ্জ শিশুপার্ক সংলগ্ন রামগঞ্জ ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দুপুরে উল্লেখিত চিকিৎসক ও তার সহযোগীরা লেজার মেশিনে শিশুটির মুসলমানি করানোর জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়।

আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কিছুক্ষণ পর আমার নাতির আর্তচিৎকারে ভেসে আসলে আমরা বিচলিত হয়ে পড়ি। আমরা দ্রুত বিষয়টি জানার জন্য অপারেশন থিয়েটারে গিয়ে দেখি নাতির পুরুষাঙ্গ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ওই দিনই নাতিকে নোয়াখালীর ডাক্তার ট্রাস্ট ওয়ান হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ৩ দিন পর ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। নাতি অদ্যাবধি সেখানেই ভর্তি রয়েছে।’

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, ইলেকট্রিক মেশিনের অতিরিক্ত তাপের কারণে তার পুরুষাঙ্গ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ‘স্থানীয় কিছু লোকজন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের জন্য চাপ দিচ্ছে। এদিকে নাতি হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে। আমরা তার চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। পরে সোমবার আদালতে মামলা করেছি। এ ঘটনার উচিত বিচার চাই।’