ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি বেদখল দেওয়ার চেষ্টা ও সন্ত্রাসী হামলার শিকার একটি অসহায় পরিবার

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৬:০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৩
  • 45
ফরিদগঞ্জ দেইচর  গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হচ্ছেন খায়রুল ইসলাম ,মিজান ,নাসির ও আব্দুস জব্বার গংরা ।যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগি পরিবার।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২ নং  বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের দেইচর গ্রামের( নোয়া বাড়ী) মনির উদ্দিন দেইচর মৌজার সি এস ২১৮ ও ১৭৬ দাগে  বিগত ১০/৮/১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে ৫৬৭১ দলিল মূলে খরিদ সূত্রে ৩৬ শতাংশ সম্পত্তির মালিক হন। মনির উদ্দিনের মৃত্যুর পর তাহার  সন্তান ওয়াহেদ মোল্লা সম্পত্তির ভোগ দখল করিয়া বাংলাদেশ জরিপ কালে তাহার নামে ৭৪/৭৫  খতিয়ান সিজন হয় ।ওয়াহেদ মোল্লা মৃত্যুর পর তাহার সন্তান খায়রুল ইসলাম গং রা সম্পত্তি দখল করিয়া আসিতেছে।
হঠাৎ করে একই বাড়ির সালাউদ্দিনগং পিতা মৃত আব্দুল বারেক একটি জাল দলিল দেখাইয়া ওই সম্পত্তি বোগদলের চেষ্টা করিতেছে। যাহার দলিল নম্বর ৫৬৭১ তাং ১০/৮/১৯৫৭ এই দলিলের প্রতি খাইরুল ইসলাম গংদের সন্দেহ হলে কুমিল্লা রেকর্ড এর তলব দিলে ওই তারিখের দলিল পাওয়া যায়নি।
কুমিল্লার রেকর্ড রুমের তলব মূলে ৫৬৭১ নং দলিলের গ্রহীতা শফিউল্লাহ গং পিতা মৃত দুলা মিয়া জমাদ্দার  গ্রাম: পোড়া, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর। সালাউদ্দিনের দলিলের সাথে সাটিফাই কফির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।
ওই এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সালাউদ্দিন অন্য এক ব্যক্তি আবুল বাশারের সাথে মিলিত হয়ে ১/৯/১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে সিএস ২১৮ ,১৭৬ দাগে ৮০৮৩ নং দলিল মূলে ৮০ শতাংশ জমির একটি দলিল দেখায়। কিন্তু ওই দলিলও সন্দেহ হলে কুমিল্লার রেকর্ডরুমে তলব দিলে একই তারিখে একই নম্বর দলিলে দেখা যায় ২১৮ ,১৭৬ ,২১২ দাগে ১৩০ শতাংশ জমি রয়েছে।
 এসব সম্পত্তি গুলা নিয়ে চাঁদপুর ল্যান্ড সার্ভ আদালতে মামলা চলমান থাকলেও সালাউদ্দিন গংরা আদালতের তোয়াক্কা না করে খায়রুল ইসলাম গংদের জমি বেদখল দেওয়ার পাঁয়তারা করছে।
এ বিষয়ে খাইরুল ইসলাম গংরা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত সালাউদ্দিন গংরা ক্ষমতাও অর্থের দাপট দেখিয়ে আমাদের উপর বিভিন্ন রকম আক্রমণ চালায় এবং প্রাণ মেরে ফেলার হুমকি দেয় গত এক মাস আগেও সালাউদ্দিন নিজে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে। আমরা নিরীহ বলে সে যখন যেভাবে মন চায় আমাদের উপর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা সালাউদ্দীন গংদের হামলার শিকার থেকে পরিত্রান পেতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে সালাউদ্দিন  এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে বাড়িতে এবং মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ফরিদগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি বেদখল দেওয়ার চেষ্টা ও সন্ত্রাসী হামলার শিকার একটি অসহায় পরিবার

আপডেট : ০৬:০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৩
ফরিদগঞ্জ দেইচর  গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হচ্ছেন খায়রুল ইসলাম ,মিজান ,নাসির ও আব্দুস জব্বার গংরা ।যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগি পরিবার।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২ নং  বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের দেইচর গ্রামের( নোয়া বাড়ী) মনির উদ্দিন দেইচর মৌজার সি এস ২১৮ ও ১৭৬ দাগে  বিগত ১০/৮/১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে ৫৬৭১ দলিল মূলে খরিদ সূত্রে ৩৬ শতাংশ সম্পত্তির মালিক হন। মনির উদ্দিনের মৃত্যুর পর তাহার  সন্তান ওয়াহেদ মোল্লা সম্পত্তির ভোগ দখল করিয়া বাংলাদেশ জরিপ কালে তাহার নামে ৭৪/৭৫  খতিয়ান সিজন হয় ।ওয়াহেদ মোল্লা মৃত্যুর পর তাহার সন্তান খায়রুল ইসলাম গং রা সম্পত্তি দখল করিয়া আসিতেছে।
হঠাৎ করে একই বাড়ির সালাউদ্দিনগং পিতা মৃত আব্দুল বারেক একটি জাল দলিল দেখাইয়া ওই সম্পত্তি বোগদলের চেষ্টা করিতেছে। যাহার দলিল নম্বর ৫৬৭১ তাং ১০/৮/১৯৫৭ এই দলিলের প্রতি খাইরুল ইসলাম গংদের সন্দেহ হলে কুমিল্লা রেকর্ড এর তলব দিলে ওই তারিখের দলিল পাওয়া যায়নি।
কুমিল্লার রেকর্ড রুমের তলব মূলে ৫৬৭১ নং দলিলের গ্রহীতা শফিউল্লাহ গং পিতা মৃত দুলা মিয়া জমাদ্দার  গ্রাম: পোড়া, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর। সালাউদ্দিনের দলিলের সাথে সাটিফাই কফির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।
ওই এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সালাউদ্দিন অন্য এক ব্যক্তি আবুল বাশারের সাথে মিলিত হয়ে ১/৯/১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে সিএস ২১৮ ,১৭৬ দাগে ৮০৮৩ নং দলিল মূলে ৮০ শতাংশ জমির একটি দলিল দেখায়। কিন্তু ওই দলিলও সন্দেহ হলে কুমিল্লার রেকর্ডরুমে তলব দিলে একই তারিখে একই নম্বর দলিলে দেখা যায় ২১৮ ,১৭৬ ,২১২ দাগে ১৩০ শতাংশ জমি রয়েছে।
 এসব সম্পত্তি গুলা নিয়ে চাঁদপুর ল্যান্ড সার্ভ আদালতে মামলা চলমান থাকলেও সালাউদ্দিন গংরা আদালতের তোয়াক্কা না করে খায়রুল ইসলাম গংদের জমি বেদখল দেওয়ার পাঁয়তারা করছে।
এ বিষয়ে খাইরুল ইসলাম গংরা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত সালাউদ্দিন গংরা ক্ষমতাও অর্থের দাপট দেখিয়ে আমাদের উপর বিভিন্ন রকম আক্রমণ চালায় এবং প্রাণ মেরে ফেলার হুমকি দেয় গত এক মাস আগেও সালাউদ্দিন নিজে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে। আমরা নিরীহ বলে সে যখন যেভাবে মন চায় আমাদের উপর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা সালাউদ্দীন গংদের হামলার শিকার থেকে পরিত্রান পেতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে সালাউদ্দিন  এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে বাড়িতে এবং মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।