ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীত এলেই পিঠা ব্যবসায়ীদের সংসারে আসে সচ্ছলতা

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৬:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  • 40

 

মতলব উত্তরে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কদর বেড়েছে মুখরোচক শীতের পিঠার। উপজেলা শহরের
বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে দেখা যাচ্ছে ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান। সন্ধ্যা থেকে জমে, ওঠে
ভ্রাম্যমাণ সকল দোকানে। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাতের কিছু অংশ জুড়ে ভিড় থাকে পিঠা
ব্যবসায়ীদের দোকানে।
উপজেলা শহর ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন মোড়ে ও পাড়া-মহল্লায় হতদরিদ্র ও নি¤œ আয়ের মানুষ
শীতের পিঠার দোকান নিয়ে বসেছে। ছেংগারচর বাজার, নতুন বাজার, সুজাতপুর, কালির বাজার,
কালিপুর, আমিসরাবাদ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব পিঠার দোকানের দেখা মেলে। মূলত
সেখানে ভাপা ও চিতই পিঠা তৈরি হচ্ছে। ধোঁয়া ওঠা ভাপা পিঠার স্বাদ পেতে সন্ধ্যায় শরীরে গরম
কাপড় জড়িয়ে অনেকেই ভিড় করছেন।
প্রতিটি পিঠার দাম ১০ টাকা। আবার অনেক দোকানি চিতই পিঠার মধ্যে ডিম দিচ্ছেন। এই
ডিম চিতই পিঠা প্রতিটি ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিশু-কিশোর, দিনমজুর,
রিকশাচালক, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ পিঠার দোকানে ভিড় করছে।
অনেকে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে সন্ধ্যায় পিঠা নিয়ে যান বাড়িতে।
পিঠা বিক্রেতাদের বেশির ভাগই জানান, শীতের মৌসুম এলেই তারা কেবল এই ব্যবসায় জড়ান।
বছরের অন্যান্য সময় তারা বিভিন্ন পেশায় শ্রম দেন।
পিঠা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এ বছর শীতের আগমন দেরিতে হলেও পিঠা বিক্রি শুরু হয়েছে
প্রায় ২ মাস ধরেই। বিক্রিও ভালো। নারিকেল, গুড় ও চালের গুঁড়ো দিয়ে ভাপা পিঠা বানালেও চিতই
পিঠার সঙ্গে এসব দোকানিরা দিচ্ছেন সরিষার ভর্তা, মরিচের ভর্তা ও ধনেপাতা ভর্তা।
পিঠা বিক্রেতা নুরু ভূঁইয়া জানান, প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার টাকার পিঠা বিক্রি
করেন; যা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচসহ তার সংসার চলছে। তবে শীত শেষ হলেই তিনি
আবারও অন্য পেশায় চলে যাবেন।
এসব দোকানে পিঠা খেতে আসা মানুষেরা জানান, শীতে পিঠা খেতে ভালো লাগে। দাম কম
হওয়াতে তা আরও বেশি জনপ্রিয় হয়েছে। অফিস ফেরত অনেকেই বাসার জন্য নিয়ে যান। আবার
অনেকে দল বেঁধে আসেন আড্ডার সঙ্গে পিঠার খেতে। পুরুষের পাশাপাশি অনেক নারীও দোকানে
পিঠা বিক্রি করছেন। স্বল্প সময়ে বেশ কিছু দরিদ্র মানুষের এর মাধ্যমে বাড়তি আয়ের সুযোগ
তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

শীত এলেই পিঠা ব্যবসায়ীদের সংসারে আসে সচ্ছলতা

আপডেট : ০৬:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

 

মতলব উত্তরে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কদর বেড়েছে মুখরোচক শীতের পিঠার। উপজেলা শহরের
বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে দেখা যাচ্ছে ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান। সন্ধ্যা থেকে জমে, ওঠে
ভ্রাম্যমাণ সকল দোকানে। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাতের কিছু অংশ জুড়ে ভিড় থাকে পিঠা
ব্যবসায়ীদের দোকানে।
উপজেলা শহর ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন মোড়ে ও পাড়া-মহল্লায় হতদরিদ্র ও নি¤œ আয়ের মানুষ
শীতের পিঠার দোকান নিয়ে বসেছে। ছেংগারচর বাজার, নতুন বাজার, সুজাতপুর, কালির বাজার,
কালিপুর, আমিসরাবাদ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব পিঠার দোকানের দেখা মেলে। মূলত
সেখানে ভাপা ও চিতই পিঠা তৈরি হচ্ছে। ধোঁয়া ওঠা ভাপা পিঠার স্বাদ পেতে সন্ধ্যায় শরীরে গরম
কাপড় জড়িয়ে অনেকেই ভিড় করছেন।
প্রতিটি পিঠার দাম ১০ টাকা। আবার অনেক দোকানি চিতই পিঠার মধ্যে ডিম দিচ্ছেন। এই
ডিম চিতই পিঠা প্রতিটি ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিশু-কিশোর, দিনমজুর,
রিকশাচালক, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ পিঠার দোকানে ভিড় করছে।
অনেকে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে সন্ধ্যায় পিঠা নিয়ে যান বাড়িতে।
পিঠা বিক্রেতাদের বেশির ভাগই জানান, শীতের মৌসুম এলেই তারা কেবল এই ব্যবসায় জড়ান।
বছরের অন্যান্য সময় তারা বিভিন্ন পেশায় শ্রম দেন।
পিঠা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এ বছর শীতের আগমন দেরিতে হলেও পিঠা বিক্রি শুরু হয়েছে
প্রায় ২ মাস ধরেই। বিক্রিও ভালো। নারিকেল, গুড় ও চালের গুঁড়ো দিয়ে ভাপা পিঠা বানালেও চিতই
পিঠার সঙ্গে এসব দোকানিরা দিচ্ছেন সরিষার ভর্তা, মরিচের ভর্তা ও ধনেপাতা ভর্তা।
পিঠা বিক্রেতা নুরু ভূঁইয়া জানান, প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার টাকার পিঠা বিক্রি
করেন; যা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচসহ তার সংসার চলছে। তবে শীত শেষ হলেই তিনি
আবারও অন্য পেশায় চলে যাবেন।
এসব দোকানে পিঠা খেতে আসা মানুষেরা জানান, শীতে পিঠা খেতে ভালো লাগে। দাম কম
হওয়াতে তা আরও বেশি জনপ্রিয় হয়েছে। অফিস ফেরত অনেকেই বাসার জন্য নিয়ে যান। আবার
অনেকে দল বেঁধে আসেন আড্ডার সঙ্গে পিঠার খেতে। পুরুষের পাশাপাশি অনেক নারীও দোকানে
পিঠা বিক্রি করছেন। স্বল্প সময়ে বেশ কিছু দরিদ্র মানুষের এর মাধ্যমে বাড়তি আয়ের সুযোগ
তৈরি হয়েছে।