ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বলিষ্ঠ একুশের আন্দোলন গড়ে ওঠে নারায়ণগঞ্জে

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৬:০১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 42
১৯৫২ সালের  এ সময়ে ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে পরে সমগ্র দেশে। রাজধানীর বাহিরের জেলা গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বলিষ্ঠ আন্দোলন গড়ে তোলেন  নারায়ণগঞ্জের ছাত্রসমাজ। এছাড়াও বাংলাদেশের সকল জেলার ছাত্রসমাজ দলে দলে রাস্তায় নেমে পড়েন মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার  আন্দোলনে। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এ সময় একাধিক ঘটনার তাৎপর্যে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যাহা উল্লেখ আছে একুশের দিনলিপি  বইতে। একুশের কর্মসূচি পালনের নির্দেশ ও খবর জানতে জেলা থেকে কিছু যুবছাত্রনেতা ঢাকা  আস যাওয়া করতে থাকেন এবং ঢাকা থেকে  দূত বার্তা পৌঁছে দিতেন জেলা  পর্যায়ে।ছাত্র সমাজ ব্যস্ত সময় পাড় করেন বড় ধরনের গণসংযোগের উদ্দেশ্যে। ঢাকা , নারায়ণগঞ্জ এবংবন্দর নগরী চট্টগ্রাম শহর একুশের  আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।একুশের আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জ হয়ে ওঠে উত্তাল। শামসুজজোহা,সফি হোসেন, মমতাজ বেগম  সহ কয়েকজনের নেতৃত্বের কারণে একুশের আন্দোলনের ইতিহাসে নারায়ণগঞ্জের  নাম বিশিষ্টতায় লিপিবদ্ধ। ঢাকা শহরের মত নারায়ণগঞ্জ শহরের অল্প বয়সী ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয় ছেড়ে রাস্তায় নেমে পড়েন একুশের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট  তৈরিতে এবং ব্যস্ত সময় পার করেন মিছিল  ও স্লোগানে। নারায়ণগঞ্জ জেলার কর্মজীবী মানুষও একুশের আন্দোলন সফল করতে ছাত্র সমাজের সাথে একাগ্রতা প্রকাশ করেন। ঢাকা শহরের পাশাপাশি জেলা সমূহের মধ্যে মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ গাজীপুর জেলার তুলনায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক ভূমিকা নিবিড় এবং অন্য জেলার তুলনায় নারায়ণগঞ্জ অতিমাত্রায় রাজনৈতিক সচেতন। শুধু নারায়ণগঞ্জ নয় ছাত্র সমাজের ডাকে জেলা শহরের এবংগ্রামের  বিদ্যালয় এর   ছাত্র সমাজ প্রতিবাদী কর্মসূচির প্রস্তুতি নিতে থাকে। যতই দিন যাচ্ছে ততই একুশের আন্দোলনের প্রতিবাদী সাংগঠনিক চিন্তার প্রস্তুতি চলতে থাকে দেশের কমবেশি প্রায় সকল জেলাতে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বলিষ্ঠ একুশের আন্দোলন গড়ে ওঠে নারায়ণগঞ্জে

আপডেট : ০৬:০১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
১৯৫২ সালের  এ সময়ে ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে পরে সমগ্র দেশে। রাজধানীর বাহিরের জেলা গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বলিষ্ঠ আন্দোলন গড়ে তোলেন  নারায়ণগঞ্জের ছাত্রসমাজ। এছাড়াও বাংলাদেশের সকল জেলার ছাত্রসমাজ দলে দলে রাস্তায় নেমে পড়েন মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার  আন্দোলনে। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এ সময় একাধিক ঘটনার তাৎপর্যে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যাহা উল্লেখ আছে একুশের দিনলিপি  বইতে। একুশের কর্মসূচি পালনের নির্দেশ ও খবর জানতে জেলা থেকে কিছু যুবছাত্রনেতা ঢাকা  আস যাওয়া করতে থাকেন এবং ঢাকা থেকে  দূত বার্তা পৌঁছে দিতেন জেলা  পর্যায়ে।ছাত্র সমাজ ব্যস্ত সময় পাড় করেন বড় ধরনের গণসংযোগের উদ্দেশ্যে। ঢাকা , নারায়ণগঞ্জ এবংবন্দর নগরী চট্টগ্রাম শহর একুশের  আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।একুশের আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জ হয়ে ওঠে উত্তাল। শামসুজজোহা,সফি হোসেন, মমতাজ বেগম  সহ কয়েকজনের নেতৃত্বের কারণে একুশের আন্দোলনের ইতিহাসে নারায়ণগঞ্জের  নাম বিশিষ্টতায় লিপিবদ্ধ। ঢাকা শহরের মত নারায়ণগঞ্জ শহরের অল্প বয়সী ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয় ছেড়ে রাস্তায় নেমে পড়েন একুশের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট  তৈরিতে এবং ব্যস্ত সময় পার করেন মিছিল  ও স্লোগানে। নারায়ণগঞ্জ জেলার কর্মজীবী মানুষও একুশের আন্দোলন সফল করতে ছাত্র সমাজের সাথে একাগ্রতা প্রকাশ করেন। ঢাকা শহরের পাশাপাশি জেলা সমূহের মধ্যে মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ গাজীপুর জেলার তুলনায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক ভূমিকা নিবিড় এবং অন্য জেলার তুলনায় নারায়ণগঞ্জ অতিমাত্রায় রাজনৈতিক সচেতন। শুধু নারায়ণগঞ্জ নয় ছাত্র সমাজের ডাকে জেলা শহরের এবংগ্রামের  বিদ্যালয় এর   ছাত্র সমাজ প্রতিবাদী কর্মসূচির প্রস্তুতি নিতে থাকে। যতই দিন যাচ্ছে ততই একুশের আন্দোলনের প্রতিবাদী সাংগঠনিক চিন্তার প্রস্তুতি চলতে থাকে দেশের কমবেশি প্রায় সকল জেলাতে।