ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে ক্লাস ফ্রেন্ড গাইড পাঠ্যতে ব্যয় করছে নগদ অর্থ, বই কিনতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা 

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৮:০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 50
সরকার নিষিদ্ধকৃত গাইড স্কুল ওয়ারী পাঠ্যতে কোম্পানি ব্যয় করছেন নগদ অর্থ। ফলে নগদ অর্থের প্রলোভনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা গাইড বই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যকৃত বই কিনতে বাধ্য করাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরাও শিক্ষকদের কথামত গাইড বই কিনছেন। চুক্তিকৃত কোম্পানির বাইরে অন্যকোন কোম্পানির বই কিনলে শিক্ষকদের বকাঝকা শুনতে হয় শিক্ষার্থীদের। পরে বাধ্য হয়ে অন্য প্রকাশনী কোম্পানির গাইড বই পরিহার করে চুক্তিকৃত বই কিনছেন শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, চলতি বছরে ক্লাস ফ্রেন্ড প্রকাশনী কোম্পানির ৫০/৬০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাইড পাঠ্য করেছেন। কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাসপেন্ড প্রকাশনির সব শ্রেণির বই বিদ্যালয়ের প্রধান এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সাথে সমন্বয় করে গাইড বই পাঠ্য করেছেন কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি। বড় স্কুলগুলোতে বিক্রয় প্রতিনিধিকে সহায়তায় করছেন প্রকাশনীর মালিক পক্ষ। প্রকাশনির প্রতিনিধিগন বিদ্যালয়ের প্রতি শ্রেণি শিক্ষার্থীনুযায়ী নগদ অর্থের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে মৌখিক চুক্তি হন। এই প্রকাশনির গাইড বই এজেন্ট নিয়ে বিক্রি করছেন হাজীগঞ্জ রজনীগন্ধা মার্কেটের সাথী লাইব্রেরীর মালিক আবুল খায়ের।
বিদ্যালয়গুলোতে কি ভাবে গাইড বই পাঠ্য করছে এমন বিষয়ে সংবাদকর্মী পরিচয় গোপন রেখে কথা হয় বিক্রয় প্রতিনিধি উপজেলার ১০নং গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিন ইউনিয়নের হোটনী গ্রামের এমদাদ হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, প্রকাশনী মালিক পক্ষ বা আমরা বিদ্যালয়ের প্রধান এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সাথে অর্থের বিনিময়ে বই পাঠা করাচ্ছেন। তারা এই পর্যন্ত পৌর এলাকার দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রায় ৬০ টি বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বই পাঠ্য হয়েছে।
সরকার নিষিদ্ধ বই লাইব্রেরিতে বিক্রি হয় এমন প্রশ্নের জবাবে বিক্রয় প্রতিনিধি এমদাদ হোসেন বলেন, গাইড বই সম্পূর্ণ ভাবে সরকার নিষিদ্ধ করেছে। লাইব্রেরী মালিকরা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করেই বই বিক্রি করছে। এ প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে সকল কথা ভিডিও এবং অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত রাখা আছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবু সাঈদ চৌধুরী মুঠোফোনে বলেন, সরকারী বই ব্যতীত অন্য কোন বই পাঠ্য করার সুযোগ নেই। যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের গাইড বই কেনার জন্য বাধ্য করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

হাজীগঞ্জে ক্লাস ফ্রেন্ড গাইড পাঠ্যতে ব্যয় করছে নগদ অর্থ, বই কিনতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা 

আপডেট : ০৮:০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সরকার নিষিদ্ধকৃত গাইড স্কুল ওয়ারী পাঠ্যতে কোম্পানি ব্যয় করছেন নগদ অর্থ। ফলে নগদ অর্থের প্রলোভনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা গাইড বই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যকৃত বই কিনতে বাধ্য করাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরাও শিক্ষকদের কথামত গাইড বই কিনছেন। চুক্তিকৃত কোম্পানির বাইরে অন্যকোন কোম্পানির বই কিনলে শিক্ষকদের বকাঝকা শুনতে হয় শিক্ষার্থীদের। পরে বাধ্য হয়ে অন্য প্রকাশনী কোম্পানির গাইড বই পরিহার করে চুক্তিকৃত বই কিনছেন শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, চলতি বছরে ক্লাস ফ্রেন্ড প্রকাশনী কোম্পানির ৫০/৬০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাইড পাঠ্য করেছেন। কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাসপেন্ড প্রকাশনির সব শ্রেণির বই বিদ্যালয়ের প্রধান এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সাথে সমন্বয় করে গাইড বই পাঠ্য করেছেন কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি। বড় স্কুলগুলোতে বিক্রয় প্রতিনিধিকে সহায়তায় করছেন প্রকাশনীর মালিক পক্ষ। প্রকাশনির প্রতিনিধিগন বিদ্যালয়ের প্রতি শ্রেণি শিক্ষার্থীনুযায়ী নগদ অর্থের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে মৌখিক চুক্তি হন। এই প্রকাশনির গাইড বই এজেন্ট নিয়ে বিক্রি করছেন হাজীগঞ্জ রজনীগন্ধা মার্কেটের সাথী লাইব্রেরীর মালিক আবুল খায়ের।
বিদ্যালয়গুলোতে কি ভাবে গাইড বই পাঠ্য করছে এমন বিষয়ে সংবাদকর্মী পরিচয় গোপন রেখে কথা হয় বিক্রয় প্রতিনিধি উপজেলার ১০নং গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিন ইউনিয়নের হোটনী গ্রামের এমদাদ হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, প্রকাশনী মালিক পক্ষ বা আমরা বিদ্যালয়ের প্রধান এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সাথে অর্থের বিনিময়ে বই পাঠা করাচ্ছেন। তারা এই পর্যন্ত পৌর এলাকার দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রায় ৬০ টি বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বই পাঠ্য হয়েছে।
সরকার নিষিদ্ধ বই লাইব্রেরিতে বিক্রি হয় এমন প্রশ্নের জবাবে বিক্রয় প্রতিনিধি এমদাদ হোসেন বলেন, গাইড বই সম্পূর্ণ ভাবে সরকার নিষিদ্ধ করেছে। লাইব্রেরী মালিকরা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করেই বই বিক্রি করছে। এ প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে সকল কথা ভিডিও এবং অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত রাখা আছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবু সাঈদ চৌধুরী মুঠোফোনে বলেন, সরকারী বই ব্যতীত অন্য কোন বই পাঠ্য করার সুযোগ নেই। যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের গাইড বই কেনার জন্য বাধ্য করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।