ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে ব্যবসায়ীর ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৭:০৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪
  • 54
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের শিশু খাদ্যে ক্যামিকেল ও বিষাক্ত কাপড়ের রঙ মিশ্রিত খাদ্যসামগ্রী বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত চাঁদপুর এর জ্যেষ্ঠ বিচারক মো. মোরশেদ আলম অভিযুক্ত ব্যবাসয়ী মো. আনাছের উপস্থিতিতে এই রায় দেন। তিনি বাজারের স্বর্ণকার পট্টির হাজী আবু তাহের ষ্টোরের সত্ত্বাধীকারী।
জানা গেছে, হাজীগঞ্জ উপজেলা স্যানেটারি পরিদর্শক সামছুল আলম রমিজ নিয়মিত অভিযানে গিয়ে ওই ব্যবাসীর দোকানে শিশুদের খাদ্যে ক্যামিকেল ব্যবহার, বিষাক্ত কাপড়ের রঙ, চকলেট, আইচপপ ও ললিপপ, কেন্ডি চকলেট, লিচু, রঙ মেশানো কাপ আচার, খেলনাযুক্ত শিশু খাদ্য ও লজেন্স এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী পান। এরপর তিনি তাঁর বিরুদ্ধে শিশু খাদ্য আইনে ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর মামলাটি দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে স্যানেটারি পরিদর্শক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সামছুল আলম রমিজ জানিয়েছেন, ব্যবাসায়ী আনাস এসব অনুমোদন বিহীন ক্যামিকেল মিশ্রিত শিশু খাদ্যসমূহ উপজেলার বাজারগুলোর বিভিন্ন দোকানে পাইকারি দরে বিক্রি ও সরবরাহের দায়ে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর বিভিন্ন ধারায় মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদেশ দেন আদালত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

হাজীগঞ্জে ব্যবসায়ীর ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত

আপডেট : ০৭:০৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের শিশু খাদ্যে ক্যামিকেল ও বিষাক্ত কাপড়ের রঙ মিশ্রিত খাদ্যসামগ্রী বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত চাঁদপুর এর জ্যেষ্ঠ বিচারক মো. মোরশেদ আলম অভিযুক্ত ব্যবাসয়ী মো. আনাছের উপস্থিতিতে এই রায় দেন। তিনি বাজারের স্বর্ণকার পট্টির হাজী আবু তাহের ষ্টোরের সত্ত্বাধীকারী।
জানা গেছে, হাজীগঞ্জ উপজেলা স্যানেটারি পরিদর্শক সামছুল আলম রমিজ নিয়মিত অভিযানে গিয়ে ওই ব্যবাসীর দোকানে শিশুদের খাদ্যে ক্যামিকেল ব্যবহার, বিষাক্ত কাপড়ের রঙ, চকলেট, আইচপপ ও ললিপপ, কেন্ডি চকলেট, লিচু, রঙ মেশানো কাপ আচার, খেলনাযুক্ত শিশু খাদ্য ও লজেন্স এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী পান। এরপর তিনি তাঁর বিরুদ্ধে শিশু খাদ্য আইনে ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর মামলাটি দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে স্যানেটারি পরিদর্শক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সামছুল আলম রমিজ জানিয়েছেন, ব্যবাসায়ী আনাস এসব অনুমোদন বিহীন ক্যামিকেল মিশ্রিত শিশু খাদ্যসমূহ উপজেলার বাজারগুলোর বিভিন্ন দোকানে পাইকারি দরে বিক্রি ও সরবরাহের দায়ে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর বিভিন্ন ধারায় মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদেশ দেন আদালত।