ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হত্যা ও মারামারি ঘটনায় পৃথক মামলার আসামী বিএনপি, আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১০৯ জন, গ্রেপ্তার-৩

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৫:১৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪
  • 30

 

হত্যার চেষ্টা ও মারামারি ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় চাঁদপুরের কচুয়ায়
বিএনপি, আওয়ামী লীগ, সাংবাদিক, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক
লীগের ১০৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতানামা আসামী করা
হয়েছে ৩শত ৫০ জনকে। গত বুধবার (৬ নভেম্বর) রাতে যুবদল নেতা আতিকুর রহমান
বাবুল ও ছাত্রদল নেতা মেহেরাজ হোসেন বাদী হয়ে কচুয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা
দায়ের করেন। যাহার মামলা নং ০৪ ও ০৫, তারিখ ৬/১১/২০২৪ ইং।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সাপ্তাহিক কচুয়া বার্তার স্টাফ রির্পোটার ও করইশ
গ্রামের হারুনুর রশিদের ছেলে সাইফুল ইসলাম সোহাগ (৩৮), একই গ্রামের আলী
আশ্রাফ মিয়ার ছেলে ছাত্রদল নেতা রফিকুল ইসলাম প্রকাশ রনি (৩২) ও হোসেনপুর
গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৩২)। প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলায়
সাংবাদিক সোহাগ গ্রেফতারের ঘটনায় কচুয়া প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ তীব্র
নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
এম আবদুল হালিম জানান, হারিচাইল ও হাসিমপুর মারামারি ঘটনায় দুইটি পৃথক
মামলা হয়েছে। ওই মামলা ৩জনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা
হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (২ নভেম্বর) ১০ নং গোহট উত্তর ইউনিয়নের হারিচাইলে
বিএনপি নেতা মোশারেফ হোসেনের সমর্থনে তার কর্মী সমর্থকরা অফিস
উদ্ধোধন করার সময় বিএনপির অপর গ্রæপ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম
এহসানুল হক মিলন সমর্থকদের মধ্যে সংষর্ঘ বাধে এতে দুই গ্রæপের প্রায় ১৫
জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। পরদিন রবিবার জাতীয় ‘দৈনিক প্রতিদিনের
বাংলাদেশ’ সহ স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় “বিএনপির দুই গ্রæপের সংঘর্ষে
আহত ১০” একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদের প্রকাশ; চাঁদপুরের কচুয়া
উপজেলার বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধনকালে বিএনপির দুই গ্রæপের সংঘর্ষে
ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় উভয় গ্রæপের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে
মোশারেফ গ্রæপের জুয়েল হোসেন, শাহাদাত, লিটন, ফাহিম ও করিম আহত হয়ে
হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অপর দিকে মিলন গ্রæপের মোস্তাফা, আতিকুর
রহমান, হেলাল আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ঘটনার ৪দিন পর গত ৬
(নভেম্বর) মিলন গ্রæপের যুবদল নেতা আতিকুর রহমান বাবুল ও ছাত্রদল নেতা মেহেরাজ
হোসেন বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন কচুয়া থানা।
সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সোহাগের গ্রেফতারের ঘটনায় তার বাবা
হারুনুর রশিদ জানান, গত ২ নভেম্বর মিয়ার বাজার এলাকায় বিএনপির কার্যালয়

উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রæপের মধ্যে রক্তক্ষীয় সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় আমার
ছেলে সোহাগকে ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

হত্যা ও মারামারি ঘটনায় পৃথক মামলার আসামী বিএনপি, আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১০৯ জন, গ্রেপ্তার-৩

আপডেট : ০৫:১৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪

 

হত্যার চেষ্টা ও মারামারি ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় চাঁদপুরের কচুয়ায়
বিএনপি, আওয়ামী লীগ, সাংবাদিক, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক
লীগের ১০৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতানামা আসামী করা
হয়েছে ৩শত ৫০ জনকে। গত বুধবার (৬ নভেম্বর) রাতে যুবদল নেতা আতিকুর রহমান
বাবুল ও ছাত্রদল নেতা মেহেরাজ হোসেন বাদী হয়ে কচুয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা
দায়ের করেন। যাহার মামলা নং ০৪ ও ০৫, তারিখ ৬/১১/২০২৪ ইং।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সাপ্তাহিক কচুয়া বার্তার স্টাফ রির্পোটার ও করইশ
গ্রামের হারুনুর রশিদের ছেলে সাইফুল ইসলাম সোহাগ (৩৮), একই গ্রামের আলী
আশ্রাফ মিয়ার ছেলে ছাত্রদল নেতা রফিকুল ইসলাম প্রকাশ রনি (৩২) ও হোসেনপুর
গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৩২)। প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলায়
সাংবাদিক সোহাগ গ্রেফতারের ঘটনায় কচুয়া প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ তীব্র
নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
এম আবদুল হালিম জানান, হারিচাইল ও হাসিমপুর মারামারি ঘটনায় দুইটি পৃথক
মামলা হয়েছে। ওই মামলা ৩জনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা
হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (২ নভেম্বর) ১০ নং গোহট উত্তর ইউনিয়নের হারিচাইলে
বিএনপি নেতা মোশারেফ হোসেনের সমর্থনে তার কর্মী সমর্থকরা অফিস
উদ্ধোধন করার সময় বিএনপির অপর গ্রæপ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম
এহসানুল হক মিলন সমর্থকদের মধ্যে সংষর্ঘ বাধে এতে দুই গ্রæপের প্রায় ১৫
জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। পরদিন রবিবার জাতীয় ‘দৈনিক প্রতিদিনের
বাংলাদেশ’ সহ স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় “বিএনপির দুই গ্রæপের সংঘর্ষে
আহত ১০” একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদের প্রকাশ; চাঁদপুরের কচুয়া
উপজেলার বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধনকালে বিএনপির দুই গ্রæপের সংঘর্ষে
ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় উভয় গ্রæপের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে
মোশারেফ গ্রæপের জুয়েল হোসেন, শাহাদাত, লিটন, ফাহিম ও করিম আহত হয়ে
হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অপর দিকে মিলন গ্রæপের মোস্তাফা, আতিকুর
রহমান, হেলাল আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ঘটনার ৪দিন পর গত ৬
(নভেম্বর) মিলন গ্রæপের যুবদল নেতা আতিকুর রহমান বাবুল ও ছাত্রদল নেতা মেহেরাজ
হোসেন বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন কচুয়া থানা।
সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সোহাগের গ্রেফতারের ঘটনায় তার বাবা
হারুনুর রশিদ জানান, গত ২ নভেম্বর মিয়ার বাজার এলাকায় বিএনপির কার্যালয়

উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রæপের মধ্যে রক্তক্ষীয় সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় আমার
ছেলে সোহাগকে ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।