ফরিদগঞ্জের ৬নয় গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নে সম্পত্তিগত কোন্দলে আদালতে মামালা চলমান থাকা শর্তেও বিবাদীগণ বাদীর উপর অতর্কিত হামলা করে। এঘটনায় ১। মোঃ মহিউদ্দিন (৩৫) ২। মোঃ রাব্বি (৩২), ৩। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৬০)কে আসামী করে থানায় মামলা করে মোঃ শাহজাহান ভূঁইয়া। পরে ১নং আসামীকে পুলিশ আটক করে আদালতে প্রেরন করে। বাকি দুই আসামী আগাম জামিন নিয়ে চলে আসে।
স্থানীয়রা বলেন, শাহজান এবাড়ির লোক, তাদের অবশ্যই পৈতৃক সম্পত্তি আছে, এরা অসহায় গরিব বিদায় অন্যরা তাদের উপর জুলুম করতেছে। পৈতৃক সম্পত্তির হক দার হিসেবে তাদেরকেও সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।
শাহজাহান ভূঁইয়া বলেন, আমার পৈতৃক সম্পত্তি মহিউদ্দিন, রাব্বি ও আনোয়ার ভোগদখল করতে দেয় না। আদালতে মামলা চলে, এর মধ্যে তারা আমাদের উপর হামলা করে, আমাদের মেম্বর আমাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করে, পরে আমরা অভিযোগ করি, একনম্বর আসামী জেল হাজতে, বাকি আসামীরা আগাম জামিন নিয়ে আমাদেরকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে, নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি, অনেক কষ্টে জীবনযাপন করতেছি। তারা সংখ্যায় বেশি হওয়ায় তাদের আক্রমনের শিকার হচ্ছি সবসময়।
২নং আসামী রাব্বি বলেন, এসব মিথ্যা, আমি গ্রামে থাকি না, আমাকে মামলায় জড়িএ দেওয়া হয়েছে। ঘটনা অন্যদের সাথে ঘটেছে, কিন্তু কার সাথে ঘটেছে তা আমি জানি না।
অভিযোগের বিত্তিতে মহিউদ্দিনের মা আর ছোট ভাই বলেন, এসব মিথ্যা, তাদের কিছুই ছিলো না। আমরা তাদের সহযোগিতা করেছি, এবাড়িতে থাকতে দিয়েছি। টুকিটাকি সমস্যাকে ওরা বড়করে দেখিয়ে জামেলা করছে। শাহজাহানের আগে থেকেই হাত ভাঙ্গা ছিলো। তারা কারন ছাড়াই আমাদেরকে মামলা দিয়েছে। এরা শুধু মামলা করে।
ইউপি সদস্য মাছুম বিল্লাহ বলেন, শাহজাহানদের উপর কয়েকবার আক্রমন হয়েছে। যে সময় শাহজাহানের হাত ভেঙ্গেছে, তখন আমি জানতাম না, আমাকে থানার এসআই আনোয়ার ভাই কল দিয়ে ঘটনাটা অবগত করে, সে সময় বন্যার পানি চারো দিকে। ঘটনাটা শুনে আমার সাথে কয়েকজনকে নিয়ে যাই ঘটনাস্থলে। গিয়ে দেখি শাহজাহান, তার বোন, স্ত্রীর অবস্থা খুবই খারাপ। মহিউদ্দিন হুমকি দিয়ে বলে, চিকিৎসার জন্য কোথায়ও গেলে মেরে পেলবো। তখন আমি বলি চিকিৎসার জন্য আমি নিবো, দেখি কে কি করবি। এদিকে এদের অবস্থাও খারাপ, হাত ভেঙ্গে গেছে। তাই দ্রুত চিকিৎসার জন্য সিএনজি করে পাঠিয়ে দেই। রাব্বি এদের উপর আক্রমনের কথা শুনি নাই, শুনেছি সে পাশে ছিলো, তবে মহিনউদ্দিন জড়িত। এবিষয়ে থানা/কোর্টে মামলা এফেআর হয়। এর আগেও শাহজানের মাকে মারছে মহিউদ্দিন। একজন আসামী গ্রেপ্তার হয়। শাহজাহানদের উপর অমানবিক আচার-আচরন করে ওরা এবং হুমকি ধ্বমকি ভয়-ভীতি দেখিয়ে রাখে। এটার সুস্থ বিচার হওয়া উচিত। শাহজাহানরা নির্যাতিত।




















