ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন থেকে গ্রেপ্তার খালুর যৌন লালসার শিকার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৫:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 45

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v62), quality = 100

চাঁদপুরের কচুয়ায় খালু কর্তৃক দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্র ধর্ষণের ঘটনায়
কচুয়ার সর্বত্র আলোচনা ঝড় বইছে। উপজেলা কাদলা ইউনিয়নের শাসনখোলা
গ্রামের মৃত আব্দুর আজিজের ছেলে সুমন (৩৮) কর্তৃক দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী
ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষকের স্ত্রী দায়ের করা মামলায় শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোরে
হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে ধর্ষক সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে
থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
এম আব্দুল হালিম।

মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় শ্রেনীতে বার্ষিক পরীক্ষা দিয়েছে।
তার বাবা চট্টগ্রামে ফার্নিচার মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করে। শিশুটির মা সদ্য
দুটি জমজ সন্তানের জন্ম দেয়। জমজ দুটি সন্তান নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ধর্ষিতার
বার্ষিক পরীক্ষা শেষে তার মা তাকে খালার বাড়ি উপজেলার শাসনখোলা গ্রামে
বেড়াতে পাঠায়। গত (২৫ ডিসেম্বর) বুধবার সকালে শিশুটির খালা বাহিরে রান্না
করছিল তখন শিশুটি কম্বল মুড়ি দিয়ে মোবাইলে কার্টুন দেখতেছিল। এসময় তার
খালু সুমন তাকে জড়িয়ে ধরে এবং মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তার বিকৃত যৌন
লালসা পূরণ করার লক্ষে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। রান্নার কাজ শেষে খালা তাকে
ভাত খেতে ডাকলে ধর্ষিতা কান্না করে ভয় উৎকণ্ঠা নিয়ে তার খালাকে সবকিছু বলে
দেয়। তখন খালা তার পরনে থাকা সেলোয়ারের নিচের অংশ ভেজা দেখতে পায়। এছাড়াও
তার পরনে থাকা কামিজের বিভিন্ন জায়গায় বীর্যের দাগ ও রক্ত দেখতে পায়। গত (২৬
ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার ধর্ষিতার খালা তার স্বামী সুমনকে আসামি করে কচুয়া
থানায় এজহার দায়ের করেন। যার মামলা নং ১৯/১৮৯।

কচুয়ায় থানায় মামলা দায়েরের বিষয়টি টের পেয়ে ধর্ষক সুমন বিদেশে
পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কচুয়া ত্যাগ করে গাঁ ঢাকা দেয়। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায়
মোবাইল ট্র্যাকিং করে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে তাকে গেপ্তার করতে সক্ষম হয় কচুয়া থানা পুলিশ।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, ধর্ষিতা
শিশুটির খালা (২৬ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার এজহার দায়ের করার পর ধর্ষণকারী সুমন
বিদেশ পালিয়ে যাওয়ার সময় তথ্য প্রযুক্তি সহতায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু
নির্যাতন দমন আইনের ধারা ৯ (১) অনুযায়ী মামলা রুজু করা শুক্রবার চাঁদপুর বিজ্ঞ
আদালতে সোপর্দ করা হয়। সকল অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের মা-বাবা ছাড়া কারো
কাছে না রেখে নিজের আয়ত্তে রাখার পরামর্শ দেওয়া হলো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জের নিখোঁজ দুলালকে পাওয়া গেছে: পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি

বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন থেকে গ্রেপ্তার খালুর যৌন লালসার শিকার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী

আপডেট : ০৫:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪

চাঁদপুরের কচুয়ায় খালু কর্তৃক দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্র ধর্ষণের ঘটনায়
কচুয়ার সর্বত্র আলোচনা ঝড় বইছে। উপজেলা কাদলা ইউনিয়নের শাসনখোলা
গ্রামের মৃত আব্দুর আজিজের ছেলে সুমন (৩৮) কর্তৃক দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী
ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষকের স্ত্রী দায়ের করা মামলায় শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোরে
হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে ধর্ষক সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে
থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
এম আব্দুল হালিম।

মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় শ্রেনীতে বার্ষিক পরীক্ষা দিয়েছে।
তার বাবা চট্টগ্রামে ফার্নিচার মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করে। শিশুটির মা সদ্য
দুটি জমজ সন্তানের জন্ম দেয়। জমজ দুটি সন্তান নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ধর্ষিতার
বার্ষিক পরীক্ষা শেষে তার মা তাকে খালার বাড়ি উপজেলার শাসনখোলা গ্রামে
বেড়াতে পাঠায়। গত (২৫ ডিসেম্বর) বুধবার সকালে শিশুটির খালা বাহিরে রান্না
করছিল তখন শিশুটি কম্বল মুড়ি দিয়ে মোবাইলে কার্টুন দেখতেছিল। এসময় তার
খালু সুমন তাকে জড়িয়ে ধরে এবং মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তার বিকৃত যৌন
লালসা পূরণ করার লক্ষে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। রান্নার কাজ শেষে খালা তাকে
ভাত খেতে ডাকলে ধর্ষিতা কান্না করে ভয় উৎকণ্ঠা নিয়ে তার খালাকে সবকিছু বলে
দেয়। তখন খালা তার পরনে থাকা সেলোয়ারের নিচের অংশ ভেজা দেখতে পায়। এছাড়াও
তার পরনে থাকা কামিজের বিভিন্ন জায়গায় বীর্যের দাগ ও রক্ত দেখতে পায়। গত (২৬
ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার ধর্ষিতার খালা তার স্বামী সুমনকে আসামি করে কচুয়া
থানায় এজহার দায়ের করেন। যার মামলা নং ১৯/১৮৯।

কচুয়ায় থানায় মামলা দায়েরের বিষয়টি টের পেয়ে ধর্ষক সুমন বিদেশে
পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কচুয়া ত্যাগ করে গাঁ ঢাকা দেয়। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায়
মোবাইল ট্র্যাকিং করে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে তাকে গেপ্তার করতে সক্ষম হয় কচুয়া থানা পুলিশ।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, ধর্ষিতা
শিশুটির খালা (২৬ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার এজহার দায়ের করার পর ধর্ষণকারী সুমন
বিদেশ পালিয়ে যাওয়ার সময় তথ্য প্রযুক্তি সহতায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু
নির্যাতন দমন আইনের ধারা ৯ (১) অনুযায়ী মামলা রুজু করা শুক্রবার চাঁদপুর বিজ্ঞ
আদালতে সোপর্দ করা হয়। সকল অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের মা-বাবা ছাড়া কারো
কাছে না রেখে নিজের আয়ত্তে রাখার পরামর্শ দেওয়া হলো।