ঢাকা ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাইবার নিরাপত্তায় কাজ করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছে ফরিদগঞ্জের মাহিন উল হাসান শুভ।

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৫:০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • 80

বর্তমানযুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ, এই যুগে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে সোস্যাল আইটি সেক্টর ছাড়া মানুষের জীবন প্রায় অচল। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে যেমন মানুষের জন্য কল্যাণকর আবার ভীতিকরও। তথ্য প্রযুক্তির আলিঙ্গনে কেউ হচ্ছেন হিরো, আবার কেউ হচ্ছেন জিরো।

তবে ফরিদগঞ্জের কৃতি সন্তান মাহিন উল শুভ সাইবার নিরাপত্তায় কাজ করে তরুন প্রজন্মের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এবং তার পাশাপাশি নিজেও হচ্ছেন স্বাবলম্বী। ঘরে বসেও যে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে বড় হওয়া যায় সেটারই বড় উদাহরণ মাহিন উল হাসান শুভ।

বর্তমান যুগে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, নিউজ পোর্টাল, অনলাইন লেনদেন ইত্যাদি নানান সাইটের সাথে আমাদের জীবন বাধ্যগত ভাবে জড়িত। আর এই জড়িত হওয়ার ফলে সাইবার ডাকাত (হ্যাকারদের) কারনে আমাদের ব্যাক্তিগত তথ্য এবং সিকিউরিটি হুমকির মুখে পড়ে প্রায়-ই।

আর এই হুমকি থেকে মানুষকে বাঁচাতে মাহিন উল হাসান শুভ এক ভরসার নাম। কারো সোস্যাল একাউন্ট, নিউজ পোর্টাল, বিকাশ নগদের মতো বাটপারির হাত থেকেও রক্ষা করার জন্য শুভ এক ভরসার নাম ফরিদগঞ্জের তরুণ প্রজন্মের কাছে।

এমন সম্ভাবনাময়ী উজ্জ্বল এই তরুণের জন্ম ফরিদগঞ্জ উপজেলার ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকায়। তার মাধ্যমিক শিক্ষার হাতেখড়ি ফরিদগঞ্জ এ আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ইউটিউব এবং সাইবার ৭১ ও বিভিন্ন টিমের সাথে কাজ করে শুভ হয়ে উঠেছেন সাইবার এক্সপার্ট। তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছে ফরিদগঞ্জের অন্য সকল তরুণরাও। মানুষকে সাইবার নিরাপত্তা দিয়ে শুভ আস্থা অর্জনের পাশাপাশি করছেন নিজের জীবিকা নির্বাহ।

এ বিষয়ে মাহিন উল শুভ জানান, আমি একেবারে নিজের চেষ্টায় ধীরে-ধীরে অনলাইন এই যুগটাকে হাতের মুঠোয় এনেছি। শুরুতে শখের বসে শিখতে থাকলেও এটা এখন সমাজের কাজে লাগছে। আমিও অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছি। বর্তমানে আমি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সাইবার ৭১ টিম ও অন্যান্য অনেক টিমের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করছি। এবং বর্তমান এ আমি  বাংলাদেশ সাইবার ডিফেন্স Co -Founder পদে রয়েছি

ফরিদগঞ্জের তরুণরা কেউ শিখতে চাইলে আমি সর্বোচ্ছ সহযোগিতা করবো।
তার এমন সাফল্যে তার বন্ধু বান্ধব, এবং প্রতিবেশিরাও প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

সাইবার নিরাপত্তায় কাজ করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছে ফরিদগঞ্জের মাহিন উল হাসান শুভ।

আপডেট : ০৫:০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

বর্তমানযুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ, এই যুগে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে সোস্যাল আইটি সেক্টর ছাড়া মানুষের জীবন প্রায় অচল। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে যেমন মানুষের জন্য কল্যাণকর আবার ভীতিকরও। তথ্য প্রযুক্তির আলিঙ্গনে কেউ হচ্ছেন হিরো, আবার কেউ হচ্ছেন জিরো।

তবে ফরিদগঞ্জের কৃতি সন্তান মাহিন উল শুভ সাইবার নিরাপত্তায় কাজ করে তরুন প্রজন্মের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এবং তার পাশাপাশি নিজেও হচ্ছেন স্বাবলম্বী। ঘরে বসেও যে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে বড় হওয়া যায় সেটারই বড় উদাহরণ মাহিন উল হাসান শুভ।

বর্তমান যুগে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, নিউজ পোর্টাল, অনলাইন লেনদেন ইত্যাদি নানান সাইটের সাথে আমাদের জীবন বাধ্যগত ভাবে জড়িত। আর এই জড়িত হওয়ার ফলে সাইবার ডাকাত (হ্যাকারদের) কারনে আমাদের ব্যাক্তিগত তথ্য এবং সিকিউরিটি হুমকির মুখে পড়ে প্রায়-ই।

আর এই হুমকি থেকে মানুষকে বাঁচাতে মাহিন উল হাসান শুভ এক ভরসার নাম। কারো সোস্যাল একাউন্ট, নিউজ পোর্টাল, বিকাশ নগদের মতো বাটপারির হাত থেকেও রক্ষা করার জন্য শুভ এক ভরসার নাম ফরিদগঞ্জের তরুণ প্রজন্মের কাছে।

এমন সম্ভাবনাময়ী উজ্জ্বল এই তরুণের জন্ম ফরিদগঞ্জ উপজেলার ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকায়। তার মাধ্যমিক শিক্ষার হাতেখড়ি ফরিদগঞ্জ এ আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ইউটিউব এবং সাইবার ৭১ ও বিভিন্ন টিমের সাথে কাজ করে শুভ হয়ে উঠেছেন সাইবার এক্সপার্ট। তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছে ফরিদগঞ্জের অন্য সকল তরুণরাও। মানুষকে সাইবার নিরাপত্তা দিয়ে শুভ আস্থা অর্জনের পাশাপাশি করছেন নিজের জীবিকা নির্বাহ।

এ বিষয়ে মাহিন উল শুভ জানান, আমি একেবারে নিজের চেষ্টায় ধীরে-ধীরে অনলাইন এই যুগটাকে হাতের মুঠোয় এনেছি। শুরুতে শখের বসে শিখতে থাকলেও এটা এখন সমাজের কাজে লাগছে। আমিও অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছি। বর্তমানে আমি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সাইবার ৭১ টিম ও অন্যান্য অনেক টিমের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করছি। এবং বর্তমান এ আমি  বাংলাদেশ সাইবার ডিফেন্স Co -Founder পদে রয়েছি

ফরিদগঞ্জের তরুণরা কেউ শিখতে চাইলে আমি সর্বোচ্ছ সহযোগিতা করবো।
তার এমন সাফল্যে তার বন্ধু বান্ধব, এবং প্রতিবেশিরাও প্রশংসায় পঞ্চমুখ।