ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় দিন মজুরের  মৃ*ত্যু নিয়ে গুঞ্জন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৪:৩৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • 25

চাঁদপুরের কচুয়ায় বশির উল্যাহ (৪৩) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে। উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের চানপাড়া  গ্রামে রবিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহতের স্ত্রী ঝর্না বেগম জানান আমার স্বামীকে একই বাড়ির আমার  ভাসুর  আলী আহমেদ,তার  ছেলে মহিন উদ্দিনের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে। রবিবার বিকেলে আমার প্রতিবন্ধী ৮ বছরের ছেলে জাহিদ মাইন উদ্দিনের  দেড় বছরের ছেলে রাশেদকে খেলার ছলে মুখে হাত দিলে এ নিয়ে বাকবিতন্ডা থেকে  মারামারিতে রুপ নেয়।  এক পর্যায়ে  ভাসুর আলী আহমেদ,ছেলে মহিন উদ্দিন,সাগর ও তামান্নাসহ পরিবারের লোকজন দল বেধে আমাদের ঘরে প্রবেশ করে আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি মেরে আমার গলায় চেপে ধরে।এ সময় আমার স্বামী বশির উল্যাহর বাধা দিতে গেলে তাকেও বেধরক মারধর করে ও ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। রাতে সে ভীষন অসুস্থ্য হয়ে  ঘরেই মারা যায়।ঘটনার পর থেকে আলী আহমেদ ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

 

সোমবার সকালে কচুয়া থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চাদপুরের মর্গে পাঠিয়ে দেয়। বশির উর‌্যাহর মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন শোনা যায়।

 বশির উল্যাহর পরিবার ও স্থানীয়রা  ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে  তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

কচুয়ায় দিন মজুরের  মৃ*ত্যু নিয়ে গুঞ্জন

আপডেট : ০৪:৩৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

চাঁদপুরের কচুয়ায় বশির উল্যাহ (৪৩) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে। উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের চানপাড়া  গ্রামে রবিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহতের স্ত্রী ঝর্না বেগম জানান আমার স্বামীকে একই বাড়ির আমার  ভাসুর  আলী আহমেদ,তার  ছেলে মহিন উদ্দিনের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে। রবিবার বিকেলে আমার প্রতিবন্ধী ৮ বছরের ছেলে জাহিদ মাইন উদ্দিনের  দেড় বছরের ছেলে রাশেদকে খেলার ছলে মুখে হাত দিলে এ নিয়ে বাকবিতন্ডা থেকে  মারামারিতে রুপ নেয়।  এক পর্যায়ে  ভাসুর আলী আহমেদ,ছেলে মহিন উদ্দিন,সাগর ও তামান্নাসহ পরিবারের লোকজন দল বেধে আমাদের ঘরে প্রবেশ করে আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি মেরে আমার গলায় চেপে ধরে।এ সময় আমার স্বামী বশির উল্যাহর বাধা দিতে গেলে তাকেও বেধরক মারধর করে ও ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। রাতে সে ভীষন অসুস্থ্য হয়ে  ঘরেই মারা যায়।ঘটনার পর থেকে আলী আহমেদ ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

 

সোমবার সকালে কচুয়া থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চাদপুরের মর্গে পাঠিয়ে দেয়। বশির উর‌্যাহর মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন শোনা যায়।

 বশির উল্যাহর পরিবার ও স্থানীয়রা  ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে  তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছে।