বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ঈদের চতুর্থ দিন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র, রেললাইন, সেতু ও ব্রীজ এলাকায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের আনন্দকে কয়েকগুন বাড়িয়ে তুলতে আশপাশের এলাকা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ আসছেন আনন্দময় সময় কাটাতে।
দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন পার্ক এন্ড রেস্টুরেন্টে রয়েছে, বিনোদন ও ভোজন রসিকদের জন্য নানা সুযোগ-সুবিধা। এতে বিনোদন প্রেমিরা সুন্দর ও স্মরণীয় মূহুর্ত উপভোগ করতে পারছেন। কিডস্ প্লে জোন, ট্রেইন, নাগর দোলা, দোলনাসহ বিভিন্ন রাইড ও সুইমিং পুল শিশু-কিশোরেরা হাশি-খুশিতে মেতে উঠেছে।
এছাড়াও ঘুরতে আসা মানুষেরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও আধুনিক সজ্জায় সজ্জিত রেস্টুরেন্টে থাই, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান ও সাগরের মাছসহ সবধরনের ফাস্টফুড খাবার গ্রহণ করছেন।
এদিন বিকালে উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের সোনাইমুড়ি এলাকার হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের মার্কল্যান্ড পার্ক এন্ড রেস্টুরেন্টের রাইডগুলোতে শিশুদের অংশগ্রহণ ছিলও চোখে পড়ার মতো। শিশুদের পাশাপাশি রাইডে চড়ছেন বড়রাও। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও বিনোদনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কড়া নজর রয়েছে আয়োজকদের।
কথা হয় ছোট্ট শিশু সুমাইয়া বিনেত হাবীব ও আব্দুল্লাহ আল মারুফের সাথে। শিশুরা জানান, ট্রেন ও দোলনা চড়তে এবং সুইমিং পুলে লাফালাফি ও সাঁতার কাটতে তাদের আনন্দ লাগে।
নাসির উদ্দিন ও ফারজানা নামের এক দম্পতি জানান, ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে তারা ঘুরতে এসেছেন। পার্কের পরিবেশ দেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারা বলেন, অনেক জায়গায় ছেলে-মেয়েদের কারণে পরিবেশ নষ্ট হয়।
মার্কল্যান্ড পার্ক এন্ড রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল সুমন জানান, বিনোদন প্রেমিদের নিরাপত্তা, সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ নিশ্চিতকরণে অসামাজিক কার্যক্রম ও ধুমপান মুক্ত এবং কিশোরদের উৎপাতহীনতার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে করে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে একান্ত সময় কাটাতে পারবেন।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, ঈদে মানুষের নির্বিঘ্নে চলাফেরা নিশ্চিতকরণে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর টহল অব্যাহৃত আছে।




















