ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পহেলা বৈশাখে কচুয়ায় বেহুলা‌ লক্ষিন্দরের স্মৃতি বিজড়িত মনসা মেলা 

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:১০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • 85
চাঁদপুরের কচুয়ায় বেহুলা লক্ষিন্দরের স্মৃতি বিজরিত মনসা মুড়ায় ১লা বৈশাখ উপলক্ষে মেলা ও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে পালাখাল মডেল ইউনিয়নের ভূইয়ারা মনসা মুড়া প্রাঙ্গনে ভক্ত বৃন্দের পূজা অর্চনা, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মনসা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মনসা মূড়া এলাকায় আবহমান বাংলার লোকজ শিল্পের তৈরি পন্যসমৃদ্ধ স্টল মেলায় স্থান পায়। জনশ্রুতি রয়েছে, বাসর ঘরে সর্প দংশনের পর মৃত স্বামী লক্ষীন্দরকে সাগরে ভেলায় ভাসিয়ে চলার পথে এক পর্যায়ে ভেলাটি ভুইয়ারা গ্রামে ভিড়ে (ভুইয়ারা গ্রাম এককালে উপকূল এলাকা ছিল বলে কথিত রয়েছে)। সেই ভেলায় ব্যবহৃত কাঁচা বাঁশ থেকে শিস বেরিয়ে বর্তমানের এ মনসা মুড়ার সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, এলাকার হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের লোকজন বিভিন্ন উদ্দেশ্য সফল করতে এ মনসা মুড়ায় দুধ ও কলা দিয়ে থাকে (মানত্ করে)। একসময় ভুইয়ারা গ্রামের লোদ বংশীয় লোকেরা মনসা মুড়ার রক্ষণাবেক্ষণসহ পূজা-অর্চনা করত। ১৯৬৮ সালে এই বংশের লোকজন ভারতে চলে যাওয়ার সময় পাশের মেঘদাইর গ্রামের গোবিন্দ কবিরাজের স্ত্রী যমুনা সুন্দরীকে মনসা মুড়া রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিয়ে যায়। যমুনা সুন্দরী পরিবারের তত্ত্বাবধানে এ মনসা মুড়ায় পূজা ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এসময় মেলায় যমুনা সুন্দরী পরিবারের সদস্য মধু সুজন দেব, মনসা মুড়া মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল দাস বিএসসি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনয় চক্রবর্তী, কোষাধ্যক্ষ পীযূষ কান্তি দেব অজয় ও নয়া কান্দি যুব সংগঠনের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ মন্দির কমিটির সদস্য বক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

পহেলা বৈশাখে কচুয়ায় বেহুলা‌ লক্ষিন্দরের স্মৃতি বিজড়িত মনসা মেলা 

আপডেট : ০৯:১০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
চাঁদপুরের কচুয়ায় বেহুলা লক্ষিন্দরের স্মৃতি বিজরিত মনসা মুড়ায় ১লা বৈশাখ উপলক্ষে মেলা ও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে পালাখাল মডেল ইউনিয়নের ভূইয়ারা মনসা মুড়া প্রাঙ্গনে ভক্ত বৃন্দের পূজা অর্চনা, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মনসা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মনসা মূড়া এলাকায় আবহমান বাংলার লোকজ শিল্পের তৈরি পন্যসমৃদ্ধ স্টল মেলায় স্থান পায়। জনশ্রুতি রয়েছে, বাসর ঘরে সর্প দংশনের পর মৃত স্বামী লক্ষীন্দরকে সাগরে ভেলায় ভাসিয়ে চলার পথে এক পর্যায়ে ভেলাটি ভুইয়ারা গ্রামে ভিড়ে (ভুইয়ারা গ্রাম এককালে উপকূল এলাকা ছিল বলে কথিত রয়েছে)। সেই ভেলায় ব্যবহৃত কাঁচা বাঁশ থেকে শিস বেরিয়ে বর্তমানের এ মনসা মুড়ার সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, এলাকার হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের লোকজন বিভিন্ন উদ্দেশ্য সফল করতে এ মনসা মুড়ায় দুধ ও কলা দিয়ে থাকে (মানত্ করে)। একসময় ভুইয়ারা গ্রামের লোদ বংশীয় লোকেরা মনসা মুড়ার রক্ষণাবেক্ষণসহ পূজা-অর্চনা করত। ১৯৬৮ সালে এই বংশের লোকজন ভারতে চলে যাওয়ার সময় পাশের মেঘদাইর গ্রামের গোবিন্দ কবিরাজের স্ত্রী যমুনা সুন্দরীকে মনসা মুড়া রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিয়ে যায়। যমুনা সুন্দরী পরিবারের তত্ত্বাবধানে এ মনসা মুড়ায় পূজা ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এসময় মেলায় যমুনা সুন্দরী পরিবারের সদস্য মধু সুজন দেব, মনসা মুড়া মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল দাস বিএসসি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনয় চক্রবর্তী, কোষাধ্যক্ষ পীযূষ কান্তি দেব অজয় ও নয়া কান্দি যুব সংগঠনের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ মন্দির কমিটির সদস্য বক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।