জুন মাসের জন্য দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থার আওতায় বিশ্ববাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন মূল্যহার অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম কমেছে ২ টাকা। পেট্রোল ও অকটেনের দাম কমানো হয়েছে প্রতি লিটারে ৩ টাকা করে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে কেরোসিনে—এই তেলের দাম লিটারপ্রতি বেড়েছে ১০ টাকা।
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তাপর্যায়ে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় প্রণীত নতুন প্রাইসিং ফর্মুলার আওতায় জুন মাসের জন্য নতুন দাম কার্যকর করা হলো।”
জ্বালানি তেলের এই দামের পরিবর্তন কবে থেকে কার্যকর হবে, তা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ১ জুন থেকেই তা কার্যকর হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের দামে এই হ্রাস সাধারণ জনগণের জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনবে। তবে কেরোসিনের দাম বৃদ্ধিতে নিম্ন আয়ের মানুষ ও মেঠোপথে কেরোসিন নির্ভর যানবাহনের চালকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
সরকার আশা করছে, স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থার মাধ্যমে একদিকে যেমন ভর্তুকির চাপ কমবে, তেমনি বিশ্ববাজারের গতিপ্রবাহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অভ্যন্তরীণ বাজারও স্থিতিশীল রাখা যাবে।




















