ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে ৩৬৮: এমএসএফ মনিটরিং প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক চিত্র

চলতি বছরের মে মাসে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬৮টি। যা গত এপ্রিল মাসের তুলনায় ৬টি বেশি। গত মাসে এ সংখ্যা ছিল ৩৬২টি।

এই তথ্য উঠে এসেছে মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) প্রেরিত ‘মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদন – মে, ২০২৫’ থেকে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মে মাসে দেশে ধর্ষণের ৫৯টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ১৬টি এবং ধর্ষণের পর হত্যার ৫টি ঘটনা ঘটেছে। উদ্বেগজনকভাবে, ধর্ষণের শিকারদের মধ্যে ৬ জন ছিলেন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) তাদের প্রতিবেদনে এসব ঘটনাকে দেশের নারী ও শিশুদের প্রতি চলমান সহিংসতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির ফল বলে মন্তব্য করেছে।

সংগঠনটির ভাষ্যমতে, “ধর্ষণের ঘটনায় অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়, অপরাধীদের যথাসময়ে গ্রেফতার না হওয়া এবং মামলার বিচার দীর্ঘায়িত হওয়ায় ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন।”

মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন নয়, বরং আইনের কার্যকর প্রয়োগ, দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

উল্লেখ্য, এমএসএফ প্রতি মাসেই দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে একটি মনিটরিং প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে নির্যাতন, সহিংসতা, নিখোঁজ, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নারী-শিশু নির্যাতনের বিস্তারিত তথ্য উঠে আসে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে ৩৬৮: এমএসএফ মনিটরিং প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক চিত্র

আপডেট : ১১:১৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

চলতি বছরের মে মাসে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬৮টি। যা গত এপ্রিল মাসের তুলনায় ৬টি বেশি। গত মাসে এ সংখ্যা ছিল ৩৬২টি।

এই তথ্য উঠে এসেছে মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) প্রেরিত ‘মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদন – মে, ২০২৫’ থেকে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মে মাসে দেশে ধর্ষণের ৫৯টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ১৬টি এবং ধর্ষণের পর হত্যার ৫টি ঘটনা ঘটেছে। উদ্বেগজনকভাবে, ধর্ষণের শিকারদের মধ্যে ৬ জন ছিলেন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) তাদের প্রতিবেদনে এসব ঘটনাকে দেশের নারী ও শিশুদের প্রতি চলমান সহিংসতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির ফল বলে মন্তব্য করেছে।

সংগঠনটির ভাষ্যমতে, “ধর্ষণের ঘটনায় অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়, অপরাধীদের যথাসময়ে গ্রেফতার না হওয়া এবং মামলার বিচার দীর্ঘায়িত হওয়ায় ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন।”

মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন নয়, বরং আইনের কার্যকর প্রয়োগ, দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

উল্লেখ্য, এমএসএফ প্রতি মাসেই দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে একটি মনিটরিং প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে নির্যাতন, সহিংসতা, নিখোঁজ, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নারী-শিশু নির্যাতনের বিস্তারিত তথ্য উঠে আসে।