চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ অবশেষে নিষ্পত্তি হয়েছে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে। শুক্রবার (১১ জুলাই) চাঁদপুরের সিনিয়র সহকারী জজ আব্দুল আলিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে দুই পক্ষের মাঝে সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করেন, যা স্থানীয়ভাবে একটি নজির স্থাপন করেছে।
জানা যায়, হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পাঁচৈই দিঘি বাড়ির নুরুল ইসলামের ছেলে খোরশেদ আলম একই বাড়ির বাসিন্দা জহিরুল ইসলামের স্ত্রী রেহেনা বেগমের বিরুদ্ধে তামাদি আইনের ৮ ধারায় অগ্রক্রয়ের মামলা দায়ের করেন। মামলার পেছনের কারণ ছিল—গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে খোরশেদ আলমের চাচা নজরুল ইসলাম গোপনে ২৫ শতাংশ জমি রেহেনা বেগমের কাছে বিক্রি করে দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সালিশ হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।
এরপর মামলা চলতে থাকে প্রায় ৯ মাস। আদালতের নির্দেশনায় সিনিয়র সহকারী জজ আব্দুল আলিম সরেজমিনে তদন্তে গিয়ে উভয় পক্ষকে শুনানি শেষে ঐক্যমতে পৌঁছান। আদালতের এমন মানবিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মামলার বাদী খোরশেদ আলম মামলা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন এবং দুই পক্ষ একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের প্রতিশ্রুতি দেন।
এই বিরল সমঝোতা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন হাজীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব কাজী জসিম উদ্দিন, বড়কূল পূর্ব ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবু জাফর, ইউপি সদস্য মনির হোসেন ও নুর মোহাম্মদ, স্থানীয় দলিল লেখক শেখ ফরিদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।




















