চাঁদপুরের কচুয়ায় হোমিওপ্যাথি ওষুধের আড়ালে চলছিল গোপনে মাদক ব্যবসা। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর বিশেষ অভিযানে ফাঁস হয় এই চক্রের তৎপরতা। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ হোমিওপ্যাথি স্পিরিট (অ্যালকোহল-৯০%) জব্দ করা হয় এবং একজনকে আটক করা হয়।
র্যাব-১১ জানায়, “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগানকে ধারণ করে র্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গি, মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অপরাধ নির্মূলে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। ধারাবাহিক অভিযানে ইতোমধ্যে র্যাব-১১ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি, আরসা সদস্য, অস্ত্রধারী, ধর্ষণ ও অপহরণ মামলার আসামিসহ শত শত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনেছে। শুধু মাদকবিরোধী অভিযানে গত এক বছরে র্যাব-১১ প্রায় ৩৫০ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে।
সাম্প্রতিক অভিযানে, ১৩ জুলাই ২০২৫ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ টহল দল কচুয়া বিশ্বরোড ফায়ার সার্ভিস এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় গোপন সূত্রে খবর আসে যে, কচুয়া পোস্ট অফিস সংলগ্ন একটি চারতলা ভবনের নিচতলার ভাড়া বাসায় হোমিওপ্যাথি ওষুধের আড়ালে অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য বিক্রি করা হচ্ছে।
র্যাব-১১ এর টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে ফেলা হয়। আটক ব্যক্তির নাম আবু সালেহ (২৪), পিতা- মোঃ জাকির হোসেন, সাং- দেউলিয়া, থানা- মির্জাগঞ্জ, জেলা- পটুয়াখালী। তার ভাড়া বাসা তল্লাশি করে ১৩৬০ বোতল হোমিওপ্যাথি স্পিরিট উদ্ধার করা হয়, যার প্রতিটিতেই রয়েছে ৯০% অ্যালকোহল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আবু সালেহ স্বীকার করে, সে বিক্রির উদ্দেশ্যে এই মাদকদ্রব্য নিজ হেফাজতে রেখেছিল। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কচুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১১ এর এমন সফল অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং স্থানীয়রা র্যাবের তৎপরতা ও নিষ্ঠার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।




















