ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কবর থেকে মরদেহ তুলে পু”ড়িয়ে দিল উত্তেজিত জনতা, হা”ম”লায় দু’জনের মৃ*ত্যু

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৮:৩৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 666

 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় এক নজিরবিহীন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। নুরাল পাগলা নামে এক ব্যক্তির মরদেহ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। একইসঙ্গে তার দরবারে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়। এতে দু’জন নিহত এবং দুই পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নুরাল পাগলার মৃত্যুর পর গত ২৩ আগস্ট তাকে গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ১২ ফুট উঁচুতে কাবা শরীফের আদলে নির্মিত এক বিশেষ কবরস্থানে দাফন করা হয়। এই দাফন প্রক্রিয়া নিয়ে এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজ শেষে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে পরিচিত একটি গ্রুপ বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত জনতা কবরস্থান ভেঙে মরদেহ উত্তোলন করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলে। একইসঙ্গে দরবারে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালানো হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এই ঘটনার পর গোটা রাজবাড়ী জেলায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কাছে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

কবর থেকে মরদেহ তুলে পু”ড়িয়ে দিল উত্তেজিত জনতা, হা”ম”লায় দু’জনের মৃ*ত্যু

আপডেট : ০৮:৩৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় এক নজিরবিহীন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। নুরাল পাগলা নামে এক ব্যক্তির মরদেহ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। একইসঙ্গে তার দরবারে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়। এতে দু’জন নিহত এবং দুই পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নুরাল পাগলার মৃত্যুর পর গত ২৩ আগস্ট তাকে গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ১২ ফুট উঁচুতে কাবা শরীফের আদলে নির্মিত এক বিশেষ কবরস্থানে দাফন করা হয়। এই দাফন প্রক্রিয়া নিয়ে এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজ শেষে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে পরিচিত একটি গ্রুপ বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত জনতা কবরস্থান ভেঙে মরদেহ উত্তোলন করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলে। একইসঙ্গে দরবারে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালানো হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এই ঘটনার পর গোটা রাজবাড়ী জেলায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কাছে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।