ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে আশ্চর্যজনক ঘটনা: অমানবিকতার আঁধারে এক আশার আলো

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৮:১১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 161

চাঁদপুর পৌর কবরস্থানে রবিবার দুপুরে ঘটলো হৃদয়বিদারক অথচ বিস্ময়কর এক ঘটনা। জীবিত নবজাতককে মৃত ভেবে কার্টনে করে আনা হয়েছিল দাফনের জন্য। কবর খোঁড়া হচ্ছিল, শোকাবহ পরিবেশে অপেক্ষমাণ সবাই ভেবেছিলেন শিশুটির জীবন শেষ।

কিন্তু ঠিক দাফনের পূর্ব মুহূর্তে আজান পড়া শুরু হতেই অলৌকিকভাবে নড়ে ওঠে নবজাতক। স্তব্ধ হয়ে যায় চারপাশ। উপস্থিত সবাই হুড়োহুড়ি করে শিশুটিকে কোলে তুলে নেয়। মুহূর্তেই কান্নার শব্দ ভেসে ওঠে—যা যেন মৃত্যুর অন্ধকার ভেদ করে আশার আলো ছড়িয়ে দেয়।

স্থানীয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা দ্রুত শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যান। শহরের ফেমাস স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর জানা যায়, তার ওজন মাত্র ৮০০ গ্রাম। অক্সিজেনের ঘাটতি ছিল, তবে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতাল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহিন শিশুটির দায়িত্ব নেন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তারা বলছেন, সিসি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখলেই জানা যাবে কারা এ অমানবিক কাজ করেছে। সচেতন মহল দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছে।

চাঁদপুরের মানুষ আজ একদিকে ক্ষুব্ধ, অন্যদিকে বিস্মিত। অমানবিকতার আঁধারে জন্ম নেওয়া শিশুটি যেন পুরো সমাজকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে—মানুষ কি এতটাই নির্মম হতে পারে? আবার একই সঙ্গে প্রমাণ করেছে, জীবন কতটা আশ্চর্য ও অনন্য।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

চাঁদপুরে আশ্চর্যজনক ঘটনা: অমানবিকতার আঁধারে এক আশার আলো

আপডেট : ০৮:১১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চাঁদপুর পৌর কবরস্থানে রবিবার দুপুরে ঘটলো হৃদয়বিদারক অথচ বিস্ময়কর এক ঘটনা। জীবিত নবজাতককে মৃত ভেবে কার্টনে করে আনা হয়েছিল দাফনের জন্য। কবর খোঁড়া হচ্ছিল, শোকাবহ পরিবেশে অপেক্ষমাণ সবাই ভেবেছিলেন শিশুটির জীবন শেষ।

কিন্তু ঠিক দাফনের পূর্ব মুহূর্তে আজান পড়া শুরু হতেই অলৌকিকভাবে নড়ে ওঠে নবজাতক। স্তব্ধ হয়ে যায় চারপাশ। উপস্থিত সবাই হুড়োহুড়ি করে শিশুটিকে কোলে তুলে নেয়। মুহূর্তেই কান্নার শব্দ ভেসে ওঠে—যা যেন মৃত্যুর অন্ধকার ভেদ করে আশার আলো ছড়িয়ে দেয়।

স্থানীয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা দ্রুত শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যান। শহরের ফেমাস স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর জানা যায়, তার ওজন মাত্র ৮০০ গ্রাম। অক্সিজেনের ঘাটতি ছিল, তবে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতাল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহিন শিশুটির দায়িত্ব নেন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তারা বলছেন, সিসি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখলেই জানা যাবে কারা এ অমানবিক কাজ করেছে। সচেতন মহল দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছে।

চাঁদপুরের মানুষ আজ একদিকে ক্ষুব্ধ, অন্যদিকে বিস্মিত। অমানবিকতার আঁধারে জন্ম নেওয়া শিশুটি যেন পুরো সমাজকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে—মানুষ কি এতটাই নির্মম হতে পারে? আবার একই সঙ্গে প্রমাণ করেছে, জীবন কতটা আশ্চর্য ও অনন্য।