ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পারিবারিক বিরোধের জেরে লক্ষ্মীপুরে নারীকে জ”বা”ই করে হ”ত্যা

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১১:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 82

 

লক্ষ্মীপুর শহরে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক নারীর নির্মম হত্যা ঘটেছে। নিহত রাশেদা বেগম (৬০) লাহারকান্দি এলাকার মৃত মোবারক হোসেনের স্ত্রী। শুক্রবার ভোরে জেলা স্টেডিয়ামের পাশে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাশেদা বেগম বাড়িতে একাই ছিলেন। ভোরের সময় ওজু করতে বের হলে একই বাড়ির ছেলে ইমন হোসেন ঘরের দরজার কাছে উপস্থিত ছিলেন। পরে ঘরে প্রবেশ করে ইমন হোসেন বটি দিয়ে রাশেদা বেগমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসার পরও হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণ করে ঘরে লুকিয়ে থাকে।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ইমন হোসেনকে আটক করে। নিহত নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। নারিকেল–সুপারী সংক্রান্ত বিরোধ এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে মতবিরোধকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এই বিরোধই হত্যার মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। নিহতের ঘাতককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এমন হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

লক্ষ্মীপুরে এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড জনজীবনে শোক ও ভয় সৃষ্টি করেছে। তদন্তকারী সংস্থা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে এবং অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

পারিবারিক বিরোধের জেরে লক্ষ্মীপুরে নারীকে জ”বা”ই করে হ”ত্যা

আপডেট : ১১:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

লক্ষ্মীপুর শহরে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক নারীর নির্মম হত্যা ঘটেছে। নিহত রাশেদা বেগম (৬০) লাহারকান্দি এলাকার মৃত মোবারক হোসেনের স্ত্রী। শুক্রবার ভোরে জেলা স্টেডিয়ামের পাশে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাশেদা বেগম বাড়িতে একাই ছিলেন। ভোরের সময় ওজু করতে বের হলে একই বাড়ির ছেলে ইমন হোসেন ঘরের দরজার কাছে উপস্থিত ছিলেন। পরে ঘরে প্রবেশ করে ইমন হোসেন বটি দিয়ে রাশেদা বেগমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসার পরও হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণ করে ঘরে লুকিয়ে থাকে।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ইমন হোসেনকে আটক করে। নিহত নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। নারিকেল–সুপারী সংক্রান্ত বিরোধ এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে মতবিরোধকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এই বিরোধই হত্যার মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। নিহতের ঘাতককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এমন হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

লক্ষ্মীপুরে এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড জনজীবনে শোক ও ভয় সৃষ্টি করেছে। তদন্তকারী সংস্থা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে এবং অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।