চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রাজারগাঁওয়ের প্রবাসী ব্যবসায়ী মো. আরিফ তার জেঠাতো ভাই রিপনের আনা অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা দাবি করেছেন।
আরিফ জানান, তিনি ২০১৯ সাল থেকে বাহরাইনে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে তার নামে তিনটি বৈধ প্রতিষ্ঠান রয়েছে—SK MEHENAZ CARGO COMPANY W.L.L. (CR No: 129418-01), AL ADIBA CONSTRUCTION W.L.L. (CR No: 142486-01) ,GHC CLEANING COMPANY W.L.L. (CR No: 142486-02).
আরিফের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানের একক মালিক তিনি নিজেই, আর রিপনের কোনো অংশীদারিত্ব নেই। তিনি বলেন, “রিপন ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি আমার কোম্পানিতে কর্মচারী হিসেবে যোগ দেয় এবং আমি নিয়মিত তার বেতন পরিশোধ করতাম।”
আরিফ আরও জানান, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর রিপন তার অজান্তে নিজ নামে বনলতা এক্সপ্রেস সার্ভিস W.L.L. নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলে। সেখানে ভারতের নাগরিক ফাতেমা ও শ্রীলঙ্কার নাগরিক আশাঙ্ক্ষাকে পার্টনার হিসেবে নেয় রিপন। দেশে ফেরার আগে সে ফাতেমাকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিয়ে যায়। পরে তাদের মধ্যে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে আরিফ অবগত নন।
সম্প্রতি ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উল্লেখ করা হয় যে, রিপনের ভিসা বাতিল হয়েছে এবং এ ঘটনার জন্য আরিফকে দায়ী করা হচ্ছে। এ নিয়ে রিপন দাবি করে, আরিফ তার ব্যবসায়িক পার্টনার ছিলেন এবং তার কাছে ৬০ থেকে ৬৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।
অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আরিফ বলেন, “রিপন কখনও আমার ব্যবসায়িক পার্টনার ছিল না। আমি তাকে কেবল কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলাম। ছুটিতে দেশে আসার সময় তাকে ব্যবসা দেখাশোনার দায়িত্ব দিলে সে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, কমিশন নিত এবং ব্যবসা কম দেখিয়ে আমাকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলে।”
তিনি আরও জানান, এই ঘটনাগুলো রিপনের বাবা-মাকেও অবগত করা হয়েছে। একই এলাকার স্থানীয় ব্যক্তি শরিফ বলেন, “আমরা কখনো শুনিনি রিপন পার্টনার ছিল। যতদূর জানি, রিপন সেখানে চাকরি করত।”
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিনউদ্দীন ফারুক জানান, কেউ অভিযোগ দিলে, অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




















