সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের বক্তব্যকে বিকৃতভাবে তুলে ধরা হচ্ছে এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী এই প্রচারণাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার হিসেবে উল্লেখ করেছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে আয়োজিত একটি স্টাডি পিরিয়ডে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের কাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম, আইনগত চ্যালেঞ্জ এবং দক্ষতা উন্নয়নের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান মাঠে দায়িত্বে থাকা সেনা সদস্যদের CrPc ১২৭-১৩২ ধারা অনুযায়ী দায়মুক্তি (Indemnity) এবং International Crimes (Tribunals) Act, 1973 (সংশোধিত ২০২৪) এর প্রাসঙ্গিক দিক তুলে ধরেন। আলোচনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়, সেনা সদস্যরা সরকারি আদেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করার সময় আইনগতভাবে সুরক্ষিত থাকেন এবং কোনো বেআইনি জনসমাগম ছত্রভঙ্গের ক্ষেত্রে তাদের আইনগত দায়িত্ব সীমিত থাকে।
সেনাপ্রধানের বক্তব্যের কোনো পর্যায়ে গুম, খুন বা মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত কাউকে দায়মুক্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়নি। তবে কিছু অসৎ ব্যক্তি, বিশেষ করে বিদেশে অবস্থানরত কিছু কুচক্রী মহল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বক্তব্যকে বিকৃতভাবে প্রচার করছে। এর মাধ্যমে তারা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং সেনাবাহিনীর প্রতি অবিশ্বাস তৈরির চেষ্টা করছে।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা সর্বদা সংবিধান, দেশের আইন এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ভবিষ্যতেও দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে। জনসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে, এই ধরনের বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্যের প্রতি সচেতন থাকা এবং ভিত্তিহীন অপপ্রচার থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
RK / SAIF




















